দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সুন্দরবনে দস্যু নির্মূলে কোস্ট গার্ডের নেতৃত্বে নৌবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযান শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে শুরু হওয়া এই অভিযান দস্যু নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে কোস্ট গার্ড।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম গত রোববার খুলনা সার্কিট হাউসে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরার প্রশাসনের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করে সুন্দরবনে দস্যুতা নির্মূলে কঠোর ভূমিকা পালনের নির্দেশ দেন। এরপর আজ সকাল থেকে যৌথ বাহিনী অভিযানে নেমেছে।
কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা (ঢাকা) লে. কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, সম্প্রতি সুন্দরবনে দস্যুতা বেড়ে যাওয়ায় অভিযান জরুরি হয়ে পড়েছে। দস্যু নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত পুরো সুন্দরবনে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
সুন্দরবনের দুবলার চরের দুবলা ফিসারম্যান গ্রুপের চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, পূর্ব ও পশ্চিম সুন্দরবনে অন্তত ১০ থেকে ১২টি দস্যু বাহিনী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এর মধ্যে সুমন, কানা শরিফ, আলিফ ও জাহাঙ্গীর বাহিনী উল্লেখযোগ্য। সবচেয়ে বড় আলিফ বাহিনীতে রয়েছে ১২টি অস্ত্র ও ২০ জন সদস্য। এরা সাগর ও সুন্দরবন থেকে জেলেদের অপহরণ করছে; বর্তমানে ২০ থেকে ২২ জন জেলে জিম্মি রয়েছে, আর চার-পাঁচজন মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছে। তিনি বলেন, যৌথ বাহিনীর অভিযান চলমান থাকলে দস্যুতা কমবে এবং জেলেরা নির্বিঘ্নে মাছ আহরণ করতে পারবে।
প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, যেকোনো মূল্যে সুন্দরবনে দস্যুদের দমন করা হবে। জেলেদের জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এমএস/