দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

রাজধানীর কদমতলীর দনিয়া এলাকায় জাল মুদ্রা তৈরির কারখানার সন্ধান মিলেছে। সেখান থেকে জাল নোট প্রস্তুতকারী চক্রের মূল হোতা, ক্রেতাসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।
শনিবার (৮ জুন) সকালে ডিবি লালবাগ বিভাগ অভিযান চালিয়ে বাংলাদেশি দেড় কোটি জাল নোট এবং ভারতীয় জাল রুপি ও জাল নোট তৈরির সরঞ্জামাদি জব্দ করে।
অভিযানের নেতৃত্বে থাকা ডিবির লালবাগ বিভাগের উপকমিশনার মশিউর রহমান জানান, কোরবানির ঈদ ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল টাকা ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট। ঈদ ঘিরে এরইমধ্যে প্রায় দুই কোটির টাকার জাল নোট মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছিল। কিছু টাকা পাইকারি পর্যায়ে বিক্রিও করেছে চক্রের হোতা লেকায়ত হোসেন জাকির। এ কাজে তার অভিজ্ঞতা ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের। গ্রেপ্তার হয়েছেন অন্তত আটবার। প্রতিবার বের হয়ে একই পেশায় যুক্ত হন তিনি।
গ্রেপ্তার জাকির জানান, আগে ৫০০ ও ১০০০ নোটের চাহিদা বেশি থাকলেও এখন ছোট নোটের চাহিদা বেশি। এ জন্য ২০০ টাকার নোটও জাল করছেন তারা। এক লাখের ১০০০ টাকার বান্ডিল সর্বোচ্চ আট হাজার টাকায় বিক্রি করতেন। বেশ কিছুদিন ধরে ছাপানো শুরু করেছেন ভারতীয় রুপিও।
জাকিরের সহযোগী রুমানা ইসলাম জানান, এর আগে একাধিকবার জেল খেটেছেন মাদক মামলায়। জেলে থাকাবস্থায় জাল নোট তৈরি ও সরবরাহকারী চক্রের সঙ্গে পরিচয়ের পরিপ্রেক্ষিতে যুক্ত হন জাল নোটের কারবারের সঙ্গে। মাত্র ১৫ দিন আগেও জাকিরের থেকে ৫০ লাখ টাকার জাল নোট সংগ্রহ করে বাজারে ছড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।
ডিসি মশিউর রহমান জানান, জাকিরের অধীন অন্তত ১৫ জন পুরুষ ও মহিলা জাল নোট ছড়িয়ে দেয়ার কাজে নিয়োজিত রয়েছেন। যাদের প্রতি মাসে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা বেতন দেন জাকির। এ ধরনের অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।
কে