দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বান্দরবানের থানচিতে ব্যাংকে ডাকাতির খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। আর এতে রক্ষা পেয়েছে সোনালী ব্যাংকের ভল্টের প্রায় দুই কোটি টাকা। তাছাড়া এই আধাসামরিক বাহিনীর তৎপরতায় ব্যাংকের শাখা ম্যানেজার ফয়সাল হুদাকেও অপহরণ করতে পারেনি সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা।
বুধবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে এই ঘটনার পর বিজিবির কড়া পাহারায় টাকাসহ ভল্টটি বান্দরবান সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় পৌঁছে দেওয়া হয়। তবে সন্ত্রাসীরা থানচি কৃষি ব্যাংক ও সোনালী ব্যাংকের ক্যাশ থেকে কয়েক লাখ টাকা লুট করেছে।
৩৮ বিজিবির বলিপাড়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল তৈমুর হাসান খান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আমাদের সদস্যদের ঘটনাস্থলে যেতে নির্দেশ দেই। তারা ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সেখানে পৌঁছায়। এর আগেই আমাদের উপস্থিতির খবর পেয়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা সোনালী ব্যাংকের ভল্ট ও ম্যানেজারকে রেখে পালিয়ে যায়।
সোনালী ব্যাংকের শাখা ম্যানেজার ফয়সাল হুদা বলেন, সন্ত্রাসীরা ভল্টের চাবি না পেয়ে সেটি ভাঙ্গার চেষ্টা করে। এ সময় তারা আমাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে রাখে। তবে, বিজিবি আসছে এমন খবর পেয়ে তারা পালিয়ে যায়।
জানা গেছে, কৃষি ব্যাংক থেকে ২ লাখ ৪২ হাজার টাকা এবং ভল্ট ভাঙতে না পারলেও সোনালী ব্যাংক থেকে আনুমানিক ১৫ লাখ টাকা ডাকাতরা নিয়ে গেছে।
বিজিবির ৩৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগে পুরো শহর নিয়ন্ত্রণে নেই। এরপর ঊর্ধ্বতনদের নির্দেশে ব্যাংকের ভল্ট বান্দরবান শহরে নিরাপত্তা দিয়ে পৌঁছে দিয়েছি।
শহরের নিরাপত্তা ও অভিযুক্ত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে বিজিবির কী ভূমিকা থাকবে সে প্রশ্নে তৈমুর হাসান খান বলেন, আমরা নিরাপত্তা জোরদার করেছি। টহল অব্যাহত থাকবে। আর অভিযুক্তদের শনাক্তে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে আমরাও কাজ করছি।
এর আগে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে রুমা উপজেলায় পাহাড়ি সন্ত্রাসীগোষ্ঠী কেএনএফ সোনালী ব্যাংকে হামলা চালিয়ে টাকা ও ১৪টি অস্ত্র লুট করে বলে জানা গেছে।
কে