• লাইভ টিভি
  • ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
  • সোশ্যাল মিডিয়া
    ফেসবুক পেজ
    Desh TV News
    Desh TV
    Desh TV Drama
    Desh TV Entertainment
    Desh TV Music
    Desh TV Lifestyle
    ফেসবুক গ্রুপ
    Desh TV (Official)
    desh.tv Channel
    ইউটিউব চ্যানেল
    Desh TV News image/svg+xml
    Desh TV Entertainment image/svg+xml
    Desh TV Bulletin
    Desh TV Drama
    টিকটক
    Desh TV
    Desh TV Entertainment
    টুইটার Desh Television
    ইনস্টাগ্রাম Desh Television
    লিঙ্কডইন Desh Television
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • দেশ ফোরাম
  • English
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • বাণিজ্য
  • রাজধানী
  • সারাদেশ
  • বিশ্ব
  • বিনোদন
  • খেলা
  • প্রবাস
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • শিক্ষা
  • চাকরি
  • স্বাস্থ্য
  • অপরাধ
  • আইন-বিচার
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • আবহাওয়া
  • রাশিফল
  • বিবিধ
  • সাহিত্য ও সংস্কৃতি
  • ধর্ম
  • জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  • দেশ ক্যারিয়ার
  • ফটোগ্যালারী
  • ভিডিও গ্যালারী
  • প্রচ্ছদ
  • সারাদেশ
  • বরিশাল
  • ঝালকাঠি

ঝালকাঠিতে ১২ কোটি টাকার আমড়া, ভাসমান হাট ও আড়তে জমজমাট বেচাকেনা

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
  ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৩১

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ। 

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬ | এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
অ- অ+
ছবি : দেশ টিভি
ছবি : দেশ টিভি

‘বরিশালের আমড়া’ নামে দেশজুড়ে পরিচিত সুস্বাদু ও পুষ্টিকর এই ফলের বড় একটি অংশের জোগান আসে ঝালকাঠি থেকে। পেয়ারা মৌসুম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জেলার বিভিন্ন এলাকায় জমে উঠেছে আমড়ার বাজার। বিশেষ করে সদর উপজেলার ভীমরুলি, শতদশকাঠি, ডুমুরিয়া, আঠারোসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে এখন আমড়া সংগ্রহ, বাছাই, বিক্রি ও পরিবহনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক, শ্রমিক, আড়তদার ও পাইকাররা।

google news দেশ টিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

জেলার সবচেয়ে বড় আমড়ার বাজার হিসেবে পরিচিত ভীমরুলীর ভাসমান হাটে প্রতিদিনই বসছে নৌকার সারি। পানিতে ভাসমান নৌকায় সাজিয়ে রাখা হচ্ছে টাটকা আমড়া। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পাইকাররা এসব আমড়া কিনে নৌ ও সড়কপথে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠাচ্ছেন। ফলে শুধু কৃষকরাই নন, আমড়াকে ঘিরে কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে শত শত শ্রমিক ও ব্যবসায়ীর।

ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, জেলার চার উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৬০৫ হেক্টর জমিতে আমড়ার চাষ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৫৯০ মেট্রিক টন আমড়া, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা।

কৃষি বিভাগের হিসাব অনুযায়ী, দুই বছরের ব্যবধানে আমড়ার আবাদ ও উৎপাদন দুটিই বেড়েছে। ২০২২-২৩ অর্থবছরে জেলায় ৬০২ হেক্টর জমিতে আমড়ার আবাদ হয়েছিল এবং উৎপাদন হয়েছিল ৪ হাজার ৭০ মেট্রিক টন। অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে আবাদ বেড়েছে ৩ হেক্টর এবং উৎপাদন বেড়েছে ৫২০ মেট্রিক টন।

পেয়ারা মৌসুমের পর ভাদ্র মাসে জমতে শুরু করে আমড়ার বাজার। টানা প্রায় দুই মাস জেলার বিভিন্ন এলাকায় চলে আমড়ার বেচাকেনা। তবে এর মধ্যে ভীমরুলীর ভাসমান হাটটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত এই হাটে নৌকায় করে আমড়া নিয়ে আসেন চাষিরা। একদিকে চলে দরদাম, অন্যদিকে নৌকা থেকে নৌকায় আমড়া তোলা ও বাছাইয়ের কাজ।

মৌসুমের শুরুতে আকার ও রংভেদে প্রতি মণ আমড়া ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে। কোথাও কোথাও মানভেদে দাম এক হাজার টাকার কাছাকাছিও নেমে আসে। ফলে ভালো মানের আমড়া উৎপাদন করতে পারা কৃষকরা তুলনামূলক বেশি দাম পাচ্ছেন।

চাষি ও পাইকারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আমড়ার আকার, রং ও মানের ওপর ভিত্তি করে দাম নির্ধারণ করা হয়। প্রতি মণে পাইকারদের প্রায় ২০০ টাকা পর্যন্ত লাভ থাকে। তবে শ্রমিক, পরিবহন ও খাবারের খরচ বাদ দেওয়ার পর প্রকৃত লাভ আরও কমে আসে।

কৃষকদের অনেকেই বলছেন, পেয়ারা চাষে উৎপাদন খরচ ও শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় আগের মতো লাভ নেই। অন্যদিকে আমড়ার পরিচর্যা তুলনামূলক সহজ এবং উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় এটি কৃষকদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

আমড়া চাষি সুজন হালদার শানু জানান, তাঁর ছয় বিঘা জমিতে আমড়ার বাগান রয়েছে। চলতি মৌসুমে বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতিটি গাছ থেকে প্রায় ৪ হাজার টাকার আমড়া পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন তিনি। সব মিলিয়ে ছয় বিঘা জমি থেকে প্রায় ৬ লাখ টাকা আয়ের প্রত্যাশা করছেন এই কৃষক।

কীর্তিপাশা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও কৃষক ভবেন্দ্রনাথ হালদার বলেন, পেয়ারায় এখন আর আগের মতো লাভ নেই। চলতি বছর অনাবৃষ্টির কারণে পেয়ারার ফলনও ভালো হয়নি। এর ওপর পেয়ারায় অ্যানথ্রাকনোজ বা কালো ছিট রোগ দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, পেয়ারা পাকতে শুরু করলে প্রতিদিন গাছ থেকে পেড়ে বাজারে নিতে হয়। একজন শ্রমিকের পেছনে প্রতিদিন প্রায় ৭০০ টাকা খরচ হলেও অনেক সময় সেই শ্রমিক দিয়ে সংগ্রহ করা পেয়ারা বিক্রি করে পাওয়া যায় মাত্র ৪০০ টাকা। ফলে শ্রমিকের খরচই উঠে আসে না।

ভবেন্দ্রনাথ হালদারের ভাষ্য, এর তুলনায় আমড়ায় খরচ কম এবং লাভ বেশি। একটি গাছে তিন থেকে চার মণ পর্যন্ত আমড়া ধরছে। দুজন শ্রমিক ১০ থেকে ১২টি গাছের আমড়া পাড়তে পারেন। আবার প্রতিদিন গাছ থেকে আমড়া পাড়তে হয় না; পরিপক্ব হলে একদিনেই গাছের অধিকাংশ আমড়া সংগ্রহ করা যায়। এ কারণে কৃষকদের কাছে আমড়া চাষ বেশি লাভজনক হয়ে উঠছে।

তিনি আরও বলেন, একটি বাতাবি লেবু বা জাম্বুরা গাছ থেকেও বছরে কমপক্ষে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করা সম্ভব।

আমড়ার মৌসুমকে ঘিরে শুধু কৃষকের আয় নয়, কর্মসংস্থানেরও সুযোগ তৈরি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন আমড়ার আড়ত ও হাটে প্রতিদিন কাজ করছেন বিপুলসংখ্যক শ্রমিক। কেউ নৌকা থেকে আমড়া নামাচ্ছেন, কেউ বাছাই করছেন, কেউ বস্তাবন্দি করছেন, আবার কেউ নৌকা ও ট্রাকে আমড়া তুলে দিচ্ছেন।

শতদশকাঠির একটি আমড়া আড়তে কাজ করা শ্রমিক রবিউল ইসলাম বলেন, এই মৌসুমকে ঘিরে অন্তত পাঁচ শতাধিক শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে। শ্রমিকরা দিনে ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত মজুরি পাচ্ছেন। তাঁর ভাষ্য, আমড়ার মৌসুমে দিনমজুরদের জীবন কিছুটা স্বস্তিতে কাটে। বছরের অন্য সময়ের তুলনায় এ সময় কাজের চাপ ও আয় দুটোই বাড়ে।

স্থানীয় আড়তদার নিখিল হালদার জানান, চলতি মৌসুমে তিনি প্রায় ১ কোটি টাকার আমড়া ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করার লক্ষ্য নিয়েছেন। আমড়া বিক্রি থেকে পাওয়া আয় দিয়েই তাঁর সারা বছরের অনেকটা খরচ চলে যায়। তাঁর মতো আরও অনেক আড়তদার ও ব্যবসায়ী আমড়াকে কেন্দ্র করে সারা বছর অপেক্ষা করেন। মৌসুম শুরু হলে কৃষকদের কাছ থেকে আমড়া সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জেলার পাইকারদের কাছে সরবরাহ করেন তাঁরা।

শুধু স্থানীয় ব্যবসায়ীরাই নন, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকাররাও প্রতিবছর ঝালকাঠিতে আসেন আমড়া কিনতে। স্বরূপকাঠির পাইকার নোমান বলেন, ফলন মোটামুটি ভালো হয়েছে। তাঁরা স্থানীয় চাষিদের কাছ থেকে আমড়া কিনে ঢাকায় পাঠান। প্রতি মণে প্রায় ২০০ টাকা লাভ থাকে। তবে শ্রমিক, পরিবহন ও খাবারের খরচ বাদ দেওয়ার পর প্রকৃত লাভ থাকে প্রায় ১০০ টাকা।

রংপুর থেকে আসা পাইকারি ফল ব্যবসায়ী আসাদুজ্জামান বলেন, তিনি প্রতিবছর ঝালকাঠি থেকে আমড়া কেনেন। দাম কিছুটা বেশি হলেও স্বাদের দিক থেকে ঝালকাঠির আমড়া সেরা।

জেলার বিভিন্ন হাট ও আড়ত থেকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ আমড়া যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায়। নৌপথে ভীমরুলীর ভাসমান হাট থেকে আমড়া পৌঁছে যাচ্ছে স্থলভিত্তিক আড়তে। এরপর ট্রাক, পিকআপসহ বিভিন্ন পরিবহনে তা ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন বাজারে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমড়ার চাহিদা প্রতিবছরই বাড়ছে। বিশেষ করে বরিশাল অঞ্চলের আমড়ার স্বাদ ও গুণগত মানের কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এর আলাদা কদর রয়েছে। আর সেই চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ করছেন ঝালকাঠির কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ বলছে, উৎপাদন খরচ কম, বাজারে চাহিদা বেশি এবং তুলনামূলক সহজ পরিচর্যার কারণে ঝালকাঠিতে আমড়ার আবাদ প্রতিবছর বাড়ছে। এর সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন শিক্ষিত ও বেকার যুবকরাও।

ঝালকাঠি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের রোগবালাই ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, অন্যান্য অনেক ফসলের তুলনায় আমড়ার উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় জেলার কৃষকদের মধ্যে এর চাষ বাড়ছে। একই সঙ্গে আমড়াকে কেন্দ্র করে শিক্ষিত ও বেকার যুবকদের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আমড়া দ্রুত পচে না যাওয়ায় এটি সংরক্ষণ ও ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া তুলনামূলক সহজ। ফলে কৃষকরা ভালো দাম পাওয়ার সুযোগ পান। রোগবালাই নিয়ন্ত্রণ ও আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি বিষয়ে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। চলতি মৌসুম শেষে কৃষক পর্যায়ে প্রায় ১২ কোটি টাকার আমড়া বিক্রি হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

কৃষকদের ভাষায়, একসময় পেয়ারা বাগানই ছিল ঝালকাঠির অনেক এলাকার প্রধান ভরসা। এখন সেই বাগানে আমড়ার গাছ বাড়ছে। কম খরচে উৎপাদন, তুলনামূলক কম পরিচর্যা, বাজারে চাহিদা এবং ভালো দাম—সব মিলিয়ে আমড়া চাষ কৃষকদের কাছে লাভজনক ফসলে পরিণত হয়েছে।

আরও পড়ুন

কুষ্টিয়ায় পদ্মায় নিখোঁজ ছাত্রদল নেতার মরদেহ ৩৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার

কিশোরগঞ্জে ছোট ভাইকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ, বড় ভাই আটক

পার্বতীপুরে র‍্যাবের অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ৯২ রাউন্ড গুলি জব্দ

ভীমরুলীর ভাসমান হাটে নৌকার পর নৌকা আমড়া আর আড়তগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতার ব্যস্ততা যেন সেই পরিবর্তনেরই চিত্র তুলে ধরছে। কৃষকের বাগান থেকে শুরু করে হাট, আড়ত, পরিবহন ও দেশের বিভিন্ন বাজার—পুরো একটি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সচল রেখেছে মৌসুমি এই ফল।

কৃষি বিভাগের হিসাবে, চলতি মৌসুমে ৬০৫ হেক্টর জমি থেকে ৪ হাজার ৫৯০ মেট্রিক টন আমড়া উৎপাদন এবং প্রায় ১২ কোটি টাকার বেচাকেনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ফলে আমড়াকে ঘিরে শুধু ফলের বাজারই জমেনি, কৃষকের ঘরে ফিরছে বাড়তি আয়, সৃষ্টি হচ্ছে কর্মসংস্থান—আর ঝালকাঠির আমড়া ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বাজারে।

এমএস/

  • ঝালকাঠি
এ সম্পর্কিত আরও খবর
নলছিটিতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার
নলছিটিতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ দুইজন গ্রেপ্তার
আমাদের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে আমাদের বাড়িঘর রক্ষা করুন: ডা. মনীষা চক্রবর্তী
আমাদের ট্যাক্সের টাকা দিয়ে আমাদের বাড়িঘর রক্ষা করুন: ডা. মনীষা চক্রবর্তী
রাজাপুরে সরকারি খাল ভরাট করে বাগানবাড়ি, তদন্তে সত্যতা পেল প্রশাসন
রাজাপুরে সরকারি খাল ভরাট করে বাগানবাড়ি, তদন্তে সত্যতা পেল প্রশাসন
কাঁঠালিয়ায় ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতাসহ দুই যুবক আটক
কাঁঠালিয়ায় ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতাসহ দুই যুবক আটক
আমাদের জানুন শর্তাবলী গোপনীয়তার নীতি যোগাযোগ বাংলা কনভার্টার আর্কাইভ

দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ

টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৫৮, ৫৮৩১২৮২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৫৮৩১২৯৮১ মেইল: [email protected]

© দেশ টেলিভিশন লিমিটেড ২০০৮ - ২০২৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।
X