দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাগুরার শ্রীপুর উপজেলায় সারের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি ও অবৈধ মজুতের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার টিকারবিলা বাজারে অভিযান চালিয়ে অবৈধভাবে মজুত করা ২৮৮ বস্তা সার উদ্ধার করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসাথে সরকারি অনুমোদন ছাড়া সার মজুত রাখার দায়ে জামিরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে টিকারবিলা বাজারে শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমাউল হুসনা পিংকির নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
জানা যায়, গত ৫ দিনের ব্যবধানে একই এলাকায় অবৈধ সারের বিরুদ্ধে এটি দ্বিতীয় বড় ধরনের সফল অভিযান। অসাধু উদ্দেশ্যে বসতঘরে সার মজুত রাখা হয়েছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টিকারবিলা বাজারের ব্যবসায়ী জামিরুল ইসলামের বসতঘরে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। তল্লাশি চালিয়ে তাঁর ঘর থেকে অবৈধভাবে মজুত করা ২৮৮ বস্তা সার জব্দ করা হয়। স্থানীয় বাজার ও কৃষি খাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে এসব সার জমা করা হয়েছিল বলে জানা যায়।
সার ব্যবস্থাপনা আইনে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমাউল হুসনা পিংকি অভিযুক্ত ব্যবসায়ী জামিরুল ইসলামকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।
অভিযান শেষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসমাউল হুসনা পিংকি জানান, 'কৃষি খাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি বা কোনো ধরনের অসাধু পন্থা অবলম্বনকারীদের কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। কৃষকদের স্বার্থে এবং নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে উপজেলা প্রশাসনের এমন কঠোর অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।'
অভিযানকালে শ্রীপুর উপজেলা কৃষি অফিসার হুমায়ুন কবির, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ, শ্রীপুর থানা পুলিশের একটি টিম এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।
শ্রীপুর উপজেলা কৃষি অফিসার হুমায়ুন কবির, অবৈধভাবে সার মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করার খবর পেয়ে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের যৌথ সহায়তায় অভিযান চালিয়ে এই সার জব্দ করা হয়। জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
কেএম