দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্কের টানে মাদারীপুর থেকে মাগুরায় এক তরুণী এসে আশ্রয় নিয়েছেন দশম শ্রেণি পড়ুয়া মিরা খাতুনের বাড়িতে। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার লখন্ডা গ্রাম থেকে জয়া গাইন নামে ওই তরুণী মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার টুপিপাড়া গ্রামে মিরা খাতুনের বাড়িতে আসেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, টুপিপাড়া গ্রামের মিরাজ বিশ্বাসের মেয়ে মিরা খাতুনের সঙ্গে প্রায় দুই বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে জয়া গাইনের পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের একপর্যায়ে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে তাঁরা দাবি করেন।
মিরা খাতুন ও জয়া গাইনের দাবি, তাঁরা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন করেছেন। তবে এ ধরনের বিয়ের আইনগত বৈধতার বিষয়টি তাঁরা উল্লেখ করেননি।
জয়া গাইন জানান, এর আগে এক প্রবাসীর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল। ওই সংসারে প্রায় দুই বছর থাকার পর তাঁদের বিচ্ছেদ হয়েছে।
মিরা খাতুনের বাবা মিরাজ বিশ্বাস জানান, গত ২৬ আগস্ট মিরা পরিবারের কাউকে না জানিয়ে মাদারীপুরে জয়া গাইনের বাড়িতে চলে যায়। সেখানে পাঁচ দিন অবস্থানের পর শ্রীপুর ও রাজৈর থানা পুলিশের সহায়তায় তাঁকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে জয়া গাইন আবার মিরার বাড়িতে চলে আসেন।
মিরা খাতুন বলেন, তাঁদের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাঁদের বিয়ে হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, তাঁরা এই সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চান।
তবে মিরাজ বিশ্বাস বলেন, মেয়ের সঙ্গে জয়া গাইনের সম্পর্ক মেনে নেওয়া তাঁর পক্ষে সম্ভব নয়। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে এবং জয়া গাইনের পরিবারকেও খবর দেওয়া হয়েছে। দুই পরিবারের পক্ষ থেকে প্রশাসনের সহযোগিতায় বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হবে।
এদিকে, ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এমএস/