দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে দেশের মানুষের মধ্যে ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রাখার আহ্বান জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। তিনি বলেন, ‘হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান নয়, আমাদের সবার বড় পরিচয় আমরা বাংলাদেশি।’
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী প্রাঙ্গণে শুভ জন্মাষ্টমী-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের আন্তরিকতা, ভালোবাসা ও সহযোগিতার কারণেই আমি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে সংসদে যেতে পেরেছি। তাই আপনাদের পাশে থেকে এবং মানুষের জন্য কাজ করার মাধ্যমেই এই ঋণ শোধের চেষ্টা করবো।’
তিনি বলেন, ‘আপনাদের সুখের দিনে আমাকে না ডাকলেও চলবে, কিন্তু দুঃখের দিনে আমাকে ডাকবেন। আমি অবশ্যই আপনাদের ডাকে সাড়া দিয়ে পাশে থাকব।’
মানিকগঞ্জের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রশংসা করে আফরোজা খানম বলেন, ‘এ জেলায় হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান্র সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সুন্দর সম্প্রীতি বিরাজ করছে। এই সম্প্রীতি সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে ধরে রাখতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রত্যেক মানুষকে সমানভাবে দেখেন। ধর্মের ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে কোনো বিভেদ করা হয় না। দেশের সব মানুষের অভিন্ন পরিচয় বাংলাদেশি এবং এই ঐক্যই ধরে রাখতে হবে।’
জন্মাষ্টমীর আয়োজনের প্রশংসা করে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অনুষ্ঠানটি একটি সুন্দর মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। সবার মধ্যে আনন্দ ও উৎসবের আবহ আমাকে আনন্দিত করেছে।’
অনুষ্ঠানে শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ী পূজা উদযাপন কমিটিকে এক লাখ টাকা অনুদান দেন খাদ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন দাবির বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেন তিনি।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, মানিকগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি প্রণব কুমার সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন অ্যাডভোকেট সুনীল কুমার, শ্রী কালীপদ ঘোষ, অনিল কুমার ও রঞ্জিত কুমার দে। এতে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
পরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দল ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বেউথা মসজিদ প্রাঙ্গণ এবং বেউথা-আন্ধারমানিক সড়কের পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন খাদ্যমন্ত্রী।
এ সময় তিনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের জন্য বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। একই সঙ্গে দলীয় নেতা-কর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষকে বেশি করে বৃক্ষরোপণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
/অ