দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে বসতভিটার সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে করা চাঁদাবাজির মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব খামার দশলিয়া গ্রামের আলীম মাদ্রাসা সংলগ্ন নলডাঙ্গা কাচারী বাজার-হাতিয়া চৌরাস্তা সড়কে এ কর্মসূচি পালিত হয়। স্থানীয় প্রতিবাদী জনতার ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধনে নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুল শেখ, বাবু, শহিদু ইসলাম ও সাগরসহ স্থানীয়রা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, মোহাম্মদ আলী ও তার পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশী রেশমা বেগমের বসতবাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। তবে কোনো চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটেনি। হয়রানি করতেই তাদের বিরুদ্ধে মামলাটি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা। মামলাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রত্যাহারের দাবি জানান বক্তারা।
ভুক্তভোগীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে রেশমা বেগম ও তার স্বামীর সঙ্গে মোহাম্মদ আলীর পরিবারের বসতবাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর মধ্যে রেশমা বেগম সীমানা ঘেঁষে একটি পাকা ঘর নির্মাণ শুরু করলে মোহাম্মদ আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা এতে বাধা দেন। এ ঘটনার পর গত ২৭ জুলাই সাদুল্লাপুর থানায় মোহাম্মদ আলীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করেন রেশমা বেগম।
মানববন্ধনে মোহাম্মদ আলীর দুই ছেলে আব্দুল মজিদ ও আব্দুল রউফ অভিযোগ করেন, মামলাটি করার পর পুলিশ তাদের বাবাকে গভীর রাতে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ১৭ দিন কারাভোগের পর তিনি জামিনে মুক্ত হন। একই মামলার আসামি শহিদুল ইসলামও জামিন না পেয়ে ১৪ দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে মুক্ত হন বলে জানান তারা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামলার বাদী রেশমা বেগম। মুঠোফোনে তিনি বলেন, মানববন্ধনে তার বিরুদ্ধে যেসব কথা বলা হয়েছে, সেগুলো মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
সাদুল্লাপুর থানার চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই আবু তালেব বলেন, মামলাটির তদন্ত চলছে। গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে। পরে তদন্তের ফলাফল আদালতে উপস্থাপন করা হবে।
যে আই