দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত এক আনসার সদস্যকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসা নিতে আসা আরেক আনসার সদস্যের বিরুদ্ধে।
রোববার (২৯ আগস্ট) রাতে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
অভিযোগ ওঠা আনসার সদস্য হলেন মো. রাহাত হোসেন খান (২৩)। তিনি বরগুনায় আনসার সদস্য হিসেবে কর্মরত। এ ঘটনায় তাঁর সঙ্গে থাকা বোনজামাই মো. সাইদুল ইসলাম শামীম (৩৭)-এর বিরুদ্ধেও জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।
হাসপাতাল সূত্র ও সিসিটিভি ফুটেজের বরাতে জানা যায়, সাইদুল ইসলাম শামীম তাঁর এক বছর বয়সী সন্তান তাসবিহকে চিকিৎসার জন্য রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তাঁর সঙ্গে শিশুটির মা, রাহাতসহ কয়েকজন স্বজন ছিলেন।
জরুরি বিভাগে চিকিৎসক আশা ইসলাম মীম শিশুটিকে দেখতে গেলে সেখানে স্বজনদের ভিড় তৈরি হয়। চিকিৎসাসেবায় বিঘ্ন ঘটায় একজন স্বজন ছাড়া অন্যদের বাইরে যেতে বলেন চিকিৎসক। এ সময় রাহাত চিকিৎসকের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
পরে দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্য মো. সুমন রাহাতকে সরে যেতে বললে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে রাহাত সুমনকে কিল-ঘুষি মারেন এবং ধাক্কা দেন বলে অভিযোগ করেন সুমন। পরে সাইদুল ইসলাম শামীমও ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন।
তবে রাহাতের দাবি, তাঁর ভাগনির নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। শিশুটিকে হাসপাতালে আনার পর জরুরি বিভাগে ঢুকতে না দেওয়ায় তিনি চিকিৎসা নিয়ে জানতে চাইছিলেন। এ সময় আনসার সদস্য সুমন তাঁকে ধাক্কা দিলে তিনি পাল্টা ধাক্কা দেন বলে দাবি করেন রাহাত।
আনসার সদস্য সুমনের ভাষ্য, চিকিৎসক শিশুটিকে চিকিৎসা দেওয়ার সময় স্বজনরা তাঁকে ঘিরে থাকায় চিকিৎসাসেবায় সমস্যা হচ্ছিল। চিকিৎসকের নির্দেশে রাহাতকে সরে যেতে বলার পর তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁকে মারধর করেন।
কর্তব্যরত চিকিৎসক আশা ইসলাম মীম বলেন, জরুরি বিভাগের ভেতরে হট্টগোল শুরু হলে তিনি সবাইকে শান্ত হতে বলেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না বলেও জানান তিনি।
রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মেহেজাবীন ফারহানা নিসা বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
যে আই