দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ ভূঞাপুরে যমুনা নদীতে ফেলার সময় জনতার হাতে পিকআপভর্তি ওষুধসহ এক চালক আটক হয়েছেন। পরে তাকে পিকআপসহ ভূঞাপুর থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
বুধবার (২৬ আগস্ট) রাতে ভূঞাপুর উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, রাতে একটি পিকআপভ্যানে করে বিপুল পরিমাণ সরকারি ওষুধ নিয়ে যমুনা নদীর তীরে আসেন চালক। ওষুধগুলো নদীতে ফেলে দেওয়ার প্রস্তুতিকালে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। পরে তারা পিকআপটি আটক করে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে ভূঞাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চালকসহ পিকআপটি থানায় নিয়ে আসে।
আটক পিকআপ চলক ও মালিক আজমতের দাবি, পিকআপ ভর্তি ওষুধগুলো টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা সরকারি হাসপাতালের। এর আগেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে চুক্তির ভিত্তিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেলে দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি দাবি করেন, সে সময় ঘাটাইলের বনাঞ্চলের গভীরে নিয়ে ওষুধগুলো ফেলে দিয়েছিলেন। এবারও একইভাবে ওষুধগুলো ফেলে দেওয়ার জন্য তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে ওষুধের পরিমাণ যাচাই করতে ভূঞাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নির্দেশে তিনিসহ তার সহকারীরা ভূঞাপুর থানার গোল ঘরে ২০ টি বস্তা উন্মোচন করে। সেখানে তারা জানায়, যতগুলো বস্তা উন্মোচন করা হয়েছে তাতে প্রতিদিন ৮ জন করে ১৫ দিন গননা করলেও শেষ করা যাবে না। পিকাপের মধ্যে আরো দ্বিগুন বস্তা রয়েছে।
ভূঞাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ কে এম রেজাউল করিম জানান, ঘাটাইল হাসপাতালের মেয়াদোত্তীর্ণ ১মিনিট্রাক ভর্তি ওষুধ যমুনাননদীতে ফেলে দেয়ার সময় স্থানীয়রা হাতেনাতে আটক করে। এ ব্যাপারে আমি জেলা সিভিল সার্জনকে অবহিত করেছি। বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আবু নইম মোহাম্মদ সোহেল বলেন, স্টোর কিপারসহ জড়িতদের শোকজ করা হয়েছে। তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন জানান ডাঃ ফরাজী মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম মঞ্জু বলেন, এঘটনা ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে এবং দোষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কেএম