দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশে সারের কোনো সংকট নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ‘সার বিতরণ নিয়ে ডিলারদের মধ্যে তৈরি হওয়া আতঙ্ক দূর করতে পরিপত্র জারি করা হয়েছে। বর্তমানে দায়িত্বে থাকা ডিলাররাই পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সার উত্তোলন ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত থাকবেন।’
বুধবার (২৬ আগস্ট) দুপুরে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের মধ্যে হুইলচেয়ার, ছাত্রীদের মধ্যে বাইসাইকেল এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ফলজ, ঔষধি ও বনজ গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে সারের কোনো সংকট নেই। ইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপি সারের পর্যাপ্ত মজুত সরকারের হাতে রয়েছে। সার সরবরাহ ও বিতরণ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
গত সোমবার মন্ত্রিসভা কমিটির সভায় প্রধানমন্ত্রী কৃষি মন্ত্রণালয়কে সহযোগিতার জন্য ৩ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন বলেও জানান তিনি।
কৃষকদের অগ্রিম সার না কেনার আহ্বান জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ‘আলু ও রবি শস্যের মৌসুম সামনে রেখে কিছু কৃষক আগাম টিএসপি ও ডিএপি সার কিনছেন। এতে বাজারে একধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। কৃষকদের অগ্রিম সার কেনার কোনো প্রয়োজন নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘ইউরিয়া, টিএসপি ও ডিএপি সারের যে চাহিদা, তার পর্যাপ্ত মজুত সরকারের হাতে রয়েছে। দেশের ১৩৩টি গুদাম ও ৩৩টি বাফার গুদামে সার মজুত আছে। সারের কোনো সংকট নেই।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু কৃষক অগ্রিম সার কিনতে যাওয়ায় এবং দু-একজন ডিলার সময়মতো সার উত্তোলন ও বিতরণ না করায় সাময়িক সমস্যা তৈরি হয়েছিল। যেসব ডিলার সার উত্তোলন বা বিতরণে দেরি করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সরকারকে হেয় করার উদ্দেশ্যে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায়ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
কৃষকদের আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দায়িত্বে থাকা ডিলারদের মাধ্যমেই কৃষকেরা সার পাবেন। কোন ফসলের জন্য কখন কত সার প্রয়োজন, সেই হিসাব সরকারের কাছে রয়েছে। চাহিদা অনুযায়ী যথাসময়ে ডিলার ও খুচরা ডিলারদের মাধ্যমে কৃষকদের কাছে সার পৌঁছে দেওয়া হবে।’
অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলার বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ১৫টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের হাতে ছাত্রীদের জন্য স্যানিটারি ন্যাপকিন তুলে দেন প্রতিমন্ত্রী। এ ছাড়া দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ঢেউটিন ও আর্থিক সহায়তা বিতরণ করা হয়।
/অ