দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীতে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা। বিশেষ করে চোর চক্রের টার্গেটে রয়েছেন সংবাদকর্মীরা। গত এক মাসে শুধু মাইজদী বাজার থেকে দত্তেরহাট পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার এলাকা থেকেই চুরি হয়েছে ২০টিরও বেশি মোটরসাইকেল।
পুলিশ বলছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টহল বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি পুরো শহরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার কাজও চলমান রয়েছে।
নোয়াখালী শহরের রাস্তাঘাটে এখন মোটরসাইকেল মালিকদের মধ্যে এক ধরনের অস্বস্তি কাজ করছে। কারণ, একের পর এক চুরি হয়ে যাচ্ছে তাদের শখের বাহন।
গত তিন মাসে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে সবচেয়ে বেশি ঘটনা ঘটেছে শহরের প্রাণকেন্দ্র মাইজদী বাজার থেকে দত্তেরহাট পর্যন্ত এলাকায়। গত এক মাসেই এই সড়কের আশপাশ থেকে চুরি হয়েছে ২০টিরও বেশি মোটরসাইকেল।
অভিযোগ উঠেছে, চোর চক্রের একটি অংশ বিশেষভাবে সংবাদকর্মীদের মোটরসাইকেল টার্গেট করছে। পেশাগত কাজে দিন-রাত বিভিন্ন স্থানে মোটরসাইকেল রেখে ছুটতে হয় সাংবাদিকদের। আর সেই সুযোগই কাজে লাগাচ্ছে সংঘবদ্ধ এই চক্র।
সাম্প্রতিক সময়ে জেলায় ৯ জন সাংবাদিকের মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে।
সমস্যা আরও জটিল হয়ে দাঁড়াচ্ছে যেসব মোটরসাইকেলের কাগজপত্রে জটিলতা রয়েছে, সেসব মালিকদের জন্য। মোটরসাইকেল হারিয়েও বৈধ কাগজপত্র না থাকায় অনেকে থানায় গিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি সহায়তা পাচ্ছেন না।
পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের মে, জুন ও জুলাই—এই তিন মাসে নোয়াখালীতে মোটরসাইকেল চুরি সংক্রান্ত মামলা হয়েছে পাঁচটি। চুরি হয়েছে মোট আটটি মোটরসাইকেল, যার মধ্যে ছয়টি উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
পুলিশ বলছে, পরিস্থিতি সামাল দিতে সাদা পোশাকে মাঠে নেমেছেন তারা। পাশাপাশি পুরো শহরকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনার পরিকল্পনাও রয়েছে।
চুরি ঠেকাতে পুলিশের তৎপরতা বাড়লেও মোটরসাইকেল মালিকদের সচেতন থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষ করে পেশাগত প্রয়োজনে সংবাদকর্মীদের অনেক সময় খোলা জায়গায় মোটরসাইকেল রাখতে হয়। তাই নিরাপদ পার্কিং ও সতর্কতা অবলম্বনের ওপর জোর দিচ্ছেন তারা।
কেএম