দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মাদারীপুরের রাজৈরে জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দুই ভাইয়ের সঙ্গে আরেক ভাইয়ের বিরোধ চলছে। এ নিয়ে একের পর এক মামলা ও অভিযোগ দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে আপন ভাই কাজেল খানের বিরুদ্ধে। প্রতিকার চেয়ে শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী দুই ভাই তাজেল খান ও ফজেল খান।
রাজৈরের টেকেরহাট আবাসিক এলাকার একটি ভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে তাজেল ও ফজেল খান জানান, তাঁদের ভাই কাজেল খান ওয়ারিশ সূত্রে পাওয়া এবং ভাই-বোন ও মায়ের কাছ থেকে ১৯৮৯ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত আটটি সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে মোট ৬৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ জমির মালিক। তবে এর বাইরে অতিরিক্ত জমির মালিকানা দাবি করে তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের সঙ্গে বিরোধে জড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তাঁরা।
তাঁদের অভিযোগ, ২০১৯ সালে কাজেল খান তাঁদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। এরপর বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দিয়ে তাঁদের হয়রানি করা হচ্ছে। সর্বশেষ শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকালে তাঁরা নিজেদের জায়গায় একটি টিনশেড ঘর নির্মাণের কাজ শুরু করলে কাজেল পুলিশ দিয়ে তাতে বাধা দেন। এতে তাঁরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন বলে দাবি করেন।
ফজেল খান বলেন, কাজেল যতটুকু জমির মালিক, তার চেয়ে বেশি জমি ভোগ করতে চান। এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। তাঁরা আইনি সহায়তা চান।
তাজেল খান বলেন, জমি নিয়ে বিরোধের বিষয়টি স্থানীয়ভাবে কয়েকবার মীমাংসার চেষ্টা করা হয়েছে। মামলা তুলে নেওয়ার কথাও হয়েছিল। কিন্তু পরে আবার জানতে পারেন, মামলা চলমান রয়েছে। কয়েক বছর ধরে তাঁরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
অভিযোগ অস্বীকার করে কাজেল খান বলেন, তিনি ৬৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ জমির মালিক। কিন্তু তাঁর দুই ভাই জোরপূর্বক ওই জমির মালিকানা বুঝিয়ে দিচ্ছেন না এবং তাঁকে বাধাগ্রস্ত করছেন। ন্যায়বিচারের স্বার্থে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন এবং মামলা চলমান রয়েছে।
কাজেল খান আরও বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও তাঁর দুই ভাই জোরপূর্বক সেখানে ঘর নির্মাণ করছেন। তিনি ন্যায়বিচার দাবি করেন।
রাজৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আমিনুল ইসলাম বলেন, শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে দুই পক্ষকে থানায় আসতে বলা হয়েছে। তাঁরা থানায় এলে কাগজপত্র দেখে দ্রুত বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
এমএস/