দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

গোপালগঞ্জ থেকে ঢাকাগামী ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেনে ইভটিজিংকে কেন্দ্র করে যাত্রীদের কয়েক পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও বাইরে থেকে পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। উত্তেজিত জনতার ইটের আঘাতে ট্রেনের কয়েকটি জানালার কাচ ভেঙে চুরমার হয়ে যায়।
রোববার (১৬ আগস্ট) রাত সোয়া ৯টার দিকে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা ও ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে কিছু কিশোর-যুবক গোপালগঞ্জে ঘুরতে আসে। পরে রাতে গোপালগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী 'অভিযাত্রী কমিউটার' ট্রেনে চড়ে তারা আবার ফেরত যাচ্ছিল। যাত্রাপথে ট্রেনের ভেতর এক নারী যাত্রীকে লক্ষ্য করে কদর্য মন্তব্য ও ইভটিজিংয়ের অভিযোগ ওঠে কয়েকজন যুবকের বিরুদ্ধে।
এ নিয়ে ট্রেনে থাকা কেরানীগঞ্জ, বোয়ালমারী এবং স্থানীয় মহেশপুর এলাকার যুবকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি থেকে হাতাহাতি শুরু হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বোয়ালমারীর যুবকেরা মহেশপুরের যুবকদের আটকে রাখার হুমকি দিলে, তারা মোবাইলে স্থানীয় লোকজনকে খবর দেয়।
ট্রেনটি কাশিয়ানীর মহেশপুর স্টেশনে পৌঁছামাত্র আগে থেকে জড়ো হওয়া স্থানীয় উত্তেজিত জনতা ভেতরে ঢুকে মারধরের চেষ্টা চালায়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে ট্রেনের কর্মী ও যাত্রীরা দ্রুত ভেতর থেকে সব দরজা-জানালা বন্ধ করে দেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে বাইরে থেকে শত শত লোক এলোপাতাড়ি পাথর ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ শুরু করে। পাথরের আঘাতে ট্রেনের গ্লাস ভেঙে পুরো ট্রেনের বগিগুলোতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে ট্রেনটি দ্রুত মহেশপুর স্টেশন ত্যাগ করে।
ট্রেনের পরিচালক বিজয় বিশ্বাস জানান, ঘটনায় আমি প্রচণ্ড আতঙ্ক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি। যাত্রী নিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়। পরবর্তীতে কেরানীগঞ্জসহ পরবর্তী স্টেশনগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
কেএম