দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নোয়াখালীতে প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলেও শাস্তির বদলে তাঁকে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের স্বজন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) নিবন্ধন বাতিল থাকার পরও অভিযুক্ত দুই চিকিৎসক বেসরকারি হাসপাতালে রোগী দেখছেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
২০২৩ সালের ১৬ অক্টোবর রাতে নোয়াখালী সদর উপজেলার মাইজদীর সাউথ বাংলা হাসপাতালে অন্তঃসত্ত্বা উম্মে সালমা নিশিকে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়। পরিবারের অভিযোগ, রোগীকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভর্তি না করে, কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই এবং অভিভাবকের সম্মতি না নিয়ে তড়িঘড়ি করে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচারের সময় মা ও নবজাতকের মৃত্যু হয়।
অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. মোহাম্মদ আক্তার হোসেন (অভি) সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জুনিয়র কনসালট্যান্ট (অ্যানেসথেসিয়া)। তাঁর স্ত্রী ডা. ফৌজিয়া ফরিদ নোয়াখালী মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) জুনিয়র লেকচারার।
নিহতের বাবা ও সেনবাগ প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক এম এ আউয়াল বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ১২ মার্চ সুধারাম আমলি আদালতে দুই চিকিৎসকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলাটির নম্বর সিআর ২৪৪/২৪।
বাদীর দাবি, আদালতের নির্দেশে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পায়। একই ঘটনায় স্বাস্থ্য বিভাগ ও বিএমডিসির পৃথক তদন্তেও অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় বলে তিনি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিএমডিসি দুই চিকিৎসকের নিবন্ধন তিন বছরের জন্য বাতিল করে।
রোববার সকাল ১১টায় নোয়াখালী প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এম এ আউয়াল অভিযোগ করেন, অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও অভিযুক্তদের চাকরিচ্যুত করা হয়নি। বরং ডা. মোহাম্মদ আক্তার হোসেনকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিএমডিসির নিবন্ধন বাতিল থাকার পরও দুই চিকিৎসক একাধিক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখছেন। তিনি এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ব্যবস্থা দাবি করেন।
এমএম/