দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে মুন্নী আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার গলায় ফাঁসের দাগ পাওয়া গেছে। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
সোমবার (১০ আগস্ট) দিনগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার সমাজ সহিলদেও ইউনিয়নের কয়ড়াপাড়া গ্রাম থেকে মুন্নীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নেত্রকোনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহত মুন্নী কয়ড়াপাড়া গ্রামের সোহাগ মিয়ার স্ত্রী এবং বড়কাশিয়া বিরামপুর ইউনিয়নের সোনারামপুর গ্রামের ইদ্রিস আলীর মেয়ে। প্রায় তিন বছর আগে পারিবারিকভাবে সোহাগের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের কোনো সন্তান নেই।
মোহনগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক জসিম উদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে রাত আড়াইটার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিছানায় শোয়ানো অবস্থায় মুন্নীর মরদেহ উদ্ধার করে। তার গলায় ফাঁসের দাগ থাকলেও শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ঘটনাস্থলে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির পরিবারের কাউকে পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সোমবার রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে মুন্নীর মৃত্যু হতে পারে। পরিবারের লোকজন মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থা থেকে নামিয়ে মাথায় পানি ঢেলেছিলেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে।
মুন্নীর চাচাতো ভাই মোহাম্মদ মিঠুর অভিযোগ, মুন্নীকে হত্যার পর তার মরদেহ ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছিল। পরে ঘটনাটি ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করা হয়। তার অভিযোগ, মুন্নীর মৃত্যুর খবর দেওয়ার পর স্বামী সোহাগ, শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ছেড়ে চলে যান।
তবে পুলিশ বলছে, মুন্নীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
এসআই জসিম উদ্দিন বলেন, নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যে আই