দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যত ক্ষমতাবান কিংবা যে রাজনৈতিক দলেরই হোক না কেন, নদী-খালের জমি দখল করে জলাবদ্ধতা তৈরি করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।
মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতাধীন অগ্রণী সেচ প্রকল্পের যাত্রামুড়া পাম্প হাউজ, প্রধান নিষ্কাশন খাল এবং রূপসী, ভুলতা ও গোলাকান্দাইল এলাকার বিভিন্ন পয়েন্টের নিষ্কাশন খাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে রূপগঞ্জের ব্লক এ-১সহ বিভিন্ন এলাকার খাল দখলমুক্ত ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সব ধরনের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করা হবে।
তিনি বলেন, ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নারায়ণগঞ্জ-নরসিংদী অগ্রণী সেচ প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে জাপানি প্রযুক্তি ও জাইকার সহায়তায় প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়। তবে সময়ের সঙ্গে অপরিকল্পিত নগরায়ণের কারণে প্রকল্পের অনেক জমি ও খাল অবৈধ দখলের কবলে পড়েছে।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, রূপগঞ্জে বর্তমানে প্রায় ৭৪১টি শিল্পকারখানা গড়ে উঠেছে। এতে শিল্পায়ন ও নগরায়ণ বাড়লেও খাল-নদী দখল ও ভরাটের কারণে তীব্র জলাবদ্ধতা এবং পরিবেশগত সংকট তৈরি হয়েছে।
নদী ও খাল দখলমুক্ত করে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা সচল করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি কিংবা রাজনৈতিক পরিচয়কে এ ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হলে রূপগঞ্জে সড়ক যোগাযোগের পাশাপাশি আধুনিক নৌপথ চালু হবে। এতে সড়কে যানবাহনের চাপ ও যানজট কমবে এবং মানুষ দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করতে পারবেন।
খাল ও নদী পুনঃখনন এবং দখলমুক্ত কার্যক্রম নিয়মিত পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসনের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় নদী-খালের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনা জরুরি।
পরিদর্শনকালে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান ভূইয়া দিপু, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মো. রুহুল আমিনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এমএস/