দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাতক্ষীরার রাজনীতিতে আলোচিত তিন ‘নজরুল’কে ঘিরে সোমবার আদালতে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। একই দিনে সাতক্ষীরা-৪ আসনের বহিষ্কৃত সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম এবং শ্যামনগরের জামায়াত নেতা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী মো. নজরুল ইসলাম আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হন।
দিন শেষে গাজী নজরুল ইসলাম হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেলেও বাকি দুজনকে পাঠানো হয়েছে জেলা কারাগারে।
অনৈতিক সম্পর্কের প্রতিবাদ ও ভিডিও ফাঁসের সন্দেহে গাড়িচালককে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার মামলায় গাজী নজরুল ইসলামকে আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। সোমবার বিকেলে তার জামিন মঞ্জুর করা হয়।
এর আগে এক তরুণীর সঙ্গে আপত্তিকর ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায় ২২ জুলাই রাজধানীর পল্লবী থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগীর মামা ওবায়দুর রহমান। একই অভিযোগে ওই দিনই তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী।
অন্যদিকে, পাঁচটির বেশি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নজরুল ইসলামকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার তাকে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাশ মণ্ডলের আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
২০১৪ সালে বিএনপি-জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ‘ক্রসফায়ারের’ নামে হত্যার নির্দেশ ও মদদ দেওয়ার অভিযোগে সম্প্রতি সাতক্ষীরা সদর থানায় এসব মামলা করা হয়। মামলাগুলোর পরবর্তী শুনানির দিন ২৯ অক্টোবর ধার্য করা হয়েছে।
এদিকে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পে ১৫ লাখ টাকা চাঁদাবাজি, প্রকৌশলীকে মারধর ও কাজ বন্ধের অভিযোগে করা মামলায় জামায়াত নেতা হাজী মো. নজরুল ইসলাম ও তার সহযোগী বিশ্বজিৎ মণ্ডলকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ছয় সপ্তাহের হাইকোর্টের জামিনের মেয়াদ শেষে সোমবার তারা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
একই দিনে সাতক্ষীরার আলোচিত তিন ‘নজরুল’কে ঘিরে আদালতের এমন ভিন্ন সিদ্ধান্তে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
যে আই