দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল চলাকালে আমন্ত্রণ না পাওয়ার অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা। তাদের বিক্ষোভের মুখে নির্ধারিত আলোচনা পর্ব শেষ করা সম্ভব হয়নি। পরে উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের বক্তব্য ছাড়াই দোয়া পরিচালনার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।
অনুষ্ঠানটি পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। এরপর ৪ আগস্ট পাবনায় নিহত শহীদ মাহবুব হাসান নিলয়ের বাবা আবুল কালাম আজাদ শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন। পরে একই দিনে নিহত আরেক শহীদ জাহিদুল ইসলামের বাবাকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঞ্চে আহ্বান জানানো হলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করেন।
এ সময় তারা বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশিদুল হক এবং অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও উভয় পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. ইমরান হোসেন বিক্ষোভকারীদের শান্ত হওয়ার আহ্বান জানালে ছাত্রদলের এক কর্মী তার দিকে তেড়ে যান।
পরে উপাচার্য মাইকে অনুষ্ঠান শেষে আলোচনায় বসার আহ্বান জানালেও বিক্ষোভকারীরা স্লোগান দিতে থাকেন। তারা অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত শিক্ষার্থীদেরও বেরিয়ে যেতে বললে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত স্বাধীনতা হল মসজিদের ইমাম মুফতী শাখাওয়াত হোসেন দোয়া পরিচালনা করেন এবং সেখানেই কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। এ সময় সংবাদ সংগ্রহে থাকা কয়েকজন সাংবাদিকের সঙ্গেও ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের দুর্ব্যবহার করতে দেখা যায়।
ঘটনার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া সমন্বয়ক ও সংশ্লিষ্টদের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এ কারণেই তারা প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
একই অভিযোগ করে শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেন বলেন, আন্দোলনে অংশ নেওয়া ও আহত শিক্ষার্থীদের বাদ দিয়ে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে। এ কারণে তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, রেজিস্ট্রার দপ্তরের মাধ্যমে প্রতিটি বিভাগে আমন্ত্রণপত্র পাঠানোর পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও কয়েকজন জুলাই যোদ্ধাকে ফোন করে অনুষ্ঠানে ও নৈশভোজে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তার দাবি, আমন্ত্রণ না পেলে কয়েকজন জুলাই যোদ্ধা অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতেন না। তাই ছাত্রদলের অভিযোগ সঠিক নয়।
যে আই