দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে ১৩-১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) রাতে ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে নেত্রকোনা সদর মডেল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত রিপন মিয়া (৩০) নেত্রকোনা সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া ইউনিয়নের নন্দুরা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘রিপন ভিডিও’ নামে পরিচিত। ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গত শনিবার রাতে কিশোরীর বাড়ির পেছনে রিপন মিয়াকে ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে দেখা যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একটি সালিশ বসে। সেখানে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। সালিশের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের জন্য তাকে এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছিল বলেও জানান তারা।
সোমবার দিবাগত রাতে সালিশের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ঘটনাটি ব্যাপক আলোচনায় আসে। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। পরে ভুক্তভোগীর বাবা থানায় মামলা দায়ের করেন।
মঙ্গলবার দুপুরে রিপন মিয়ার বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
রিপন মিয়ার গর্ভবতী স্ত্রী চম্পা আক্তার বলেন, ঘটনার বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন না। মানুষের মুখে বিষয়টি শুনেছেন। তার স্বামী নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন এবং ঘটনাটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ভুক্তভোগী কিশোরীর আগে থেকেই তাদের পরিবারের সঙ্গে যাতায়াত ছিল।
অন্যদিকে, ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বলেন, তিনি বাড়িতে না থাকায় প্রথমে বিষয়টি জানতে পারেননি। পরে স্থানীয়দের কাছ থেকে শুনে মেয়ের সঙ্গে কথা বলে অভিযোগের বিষয়টি জানতে পারেন।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান চলছে।
যে আই