দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে লাইসেন্সবিহীন ও নিরাপত্তাহীন প্যারাসিলিং কার্যক্রম বন্ধ করে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধভাবে পরিচালিত প্যারাসিলিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা, নিয়মিত তদারকি এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী পরিচালনার দাবি জানানো হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্যারাসিলিং পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠলেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন, প্রশিক্ষণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই পরিচালিত হওয়ায় এটি এখন উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, দরিয়ানগর, হিমছড়ি ও ইনানীসহ বিভিন্ন এলাকায় লাইসেন্স ছাড়া প্যারাসিলিং পরিচালিত হচ্ছে। পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম, প্রশিক্ষিত জনবল, আধুনিক উদ্ধার ব্যবস্থা ও কারিগরি মান নিয়ন্ত্রণের অভাবে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। অতীতে দড়ি ছিঁড়ে যাওয়া বা নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পর্যটকের মৃত্যু ও গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে এতে উল্লেখ করা হয়।
এতে আরও বলা হয়, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট অবৈধভাবে এ ব্যবসা পরিচালনা করছে। দুর্ঘটনার পর সাময়িকভাবে কার্যক্রম বন্ধ হলেও পরে নতুন নামে আবারও তা চালু করা হয়। ফলে প্রশাসনিক নজরদারি ও আইন প্রয়োগের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
বিজ্ঞপ্তিতে অভিযোগ করা হয়, সমুদ্র সৈকতের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থাগুলোর কার্যকর তদারকির অভাব রয়েছে। মাঝে মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হলেও তা স্থায়ী সমাধান আনতে পারছে না। পাশাপাশি প্রতিদিন ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির ফিটনেস বা নিরাপত্তা মান যাচাইয়ের জন্য কোনো স্থায়ী তদারকি ব্যবস্থাও নেই বলে দাবি করা হয়।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাঁচ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে,সব ধরনের অবৈধ প্যারাসিলিং বন্ধ করা, কঠোর শর্তে লাইসেন্স প্রদান, ব্যবহৃত সরঞ্জামের নিয়মিত কারিগরি পরীক্ষা, প্রশিক্ষিত ও সনদপ্রাপ্ত কর্মী ছাড়া পরিচালনা নিষিদ্ধ করা, ট্যুরিস্ট পুলিশের নজরদারি জোরদার, ডিজিটাল মনিটরিং ও অভিযোগ গ্রহণের হেল্পডেস্ক চালু এবং দুর্ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কক্সবাজার বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র। পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং দেশের পর্যটন শিল্পের সুনাম রক্ষায় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ এখন সময়ের দাবি।
যে আই