দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজার জেলা কারাগারের পূর্ব পাশে অবস্থিত উঁচু পাহাড়ে অবৈধ খনন ও অনিয়ন্ত্রিত পাহাড় কাটার ফলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
পাহাড়ের পাদদেশে গড়ে তোলা মার্কেট ও মসজিদের ওপর যেকোনো মুহূর্তে পাহাড় ধসে পড়ে মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা। তবে প্রকাশ্যে পাহাড় কাটা হলেও পরিবেশ অধিদপ্তরের ভূমিকা রহস্যজনক।
স্থানীয়রা বলছেন, অনিয়ম করে পাহাড় কেটে এই স্থাপনাগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে ও মাটির বাঁধন আলগা হওয়ায় সেই পাহাড়ই এখন মসজিদ ও মার্কেটের জন্য বড় কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে কারাগারের পূর্ব পাশের উঁচু পাহাড়টির মাঝখানে অবৈধভাবে খনন করে মাটি সরানো হয়েছে। পাহাড়ের নিচে গড়ে তোলা হয়েছে বহুতল মার্কেট ও সমাদৃত একটি মসজিদ, যার ঠিক উপরেই ঝুলছে কাটা পাহাড় বছরের পর বছর ধরে ক্ষয়ে যাওয়া উঁচু পাহাড়টি।
মাটির স্বাভাবিক ভারসাম্য ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নষ্ট হওয়ায় সামান্য বর্ষণেই পাহাড় ধসে মানুষের জীবন ও সম্পদের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
কক্সবাজার বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ পরিষদের সভাপতি দীপক শর্মা দীপু জানান, কক্সবাজারে দীর্ঘ দিন পাহাড় কাটা হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। জেনেও না জানার ভান করে থাকে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। যার কারণে সবখানে অবাধে পাহাড় কাটা হচ্ছে। এতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে।
কক্সবাজার সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি)মশিউর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, পাহাড় কাটার অভিযোগটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। অনুমতি ছাড়া পাহাড় কাটা বা প্রকৃতির ক্ষতিকর যেকোনো কাজের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। স্থানটি পরিদর্শন করে অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ও সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কে