দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারের পেকুয়া পৌরসভার উত্তর মেহেরনামা এলাকার একটি বাড়িতে গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় নগদ সাড়ে ৮ লাখ টাকা ও ১৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে লুটপাট চালানো হয় বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা।
রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক সোয়া ৩টার দিকে আবদুল হামিদ সিকদারপাড়ায় সৌদি প্রবাসী জমির আলম এবং তার ছোট ভাই, মহেশখালী উপজেলার মাতারবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) রেজাউল করিমের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার খবর পেয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানও ঘটনাস্থলে যান।
ভুক্তভোগী রেজাউল করিম জানান, রাতে বাড়ির সামনে রাখা মোটরসাইকেল দেখতে বের হয়ে তিনি পাশের একটি দোকানে স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে বসেছিলেন। রাত ৩টার দিকে একটি সাদা রঙের হাইয়েস গাড়ি দ্রুত সড়ক দিয়ে যাওয়ার কয়েক মিনিট পর ৭ থেকে ৮ জন সশস্ত্র ব্যক্তি সেখানে এসে অস্ত্রের মুখে তাদের একটি ফার্নিচারের দোকানে নিয়ে রশি দিয়ে বেঁধে রাখে। পরে তাকে জোরপূর্বক বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়।
তার ভাষ্য, ডাকাতরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার কক্ষ থেকে নগদ সাড়ে ৬ লাখ টাকা ও ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার এবং বড় ভাই জমির আলমের কক্ষ থেকে আরও আড়াই লাখ টাকা ও ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়।
রেজাউল করিমের স্ত্রী তাসফিয়া সোলতানা কাজল বলেন, স্বামীকে অস্ত্রের মুখে বাড়িতে নিয়ে এসে মুখোশধারীরা পরিবারের সবাইকে একটি কক্ষে জিম্মি করে রাখে। প্রায় ৪০ মিনিট ধরে তারা লুটপাট চালানোর পাশাপাশি বাড়ির সিসিটিভি ক্যামেরার হার্ডডিস্কও খুলে নিয়ে যায়।
সৌদি প্রবাসী জমির আলমের স্ত্রী আমেনা বেগম বলেন, ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে প্রাণনাশের ভয় দেখিয়ে গলার চেইন, কানের দুলসহ স্বর্ণালঙ্কার খুলে নেয়। পাশাপাশি আলমারি ও ড্রয়ারের তালা ভেঙে নগদ টাকা লুট করে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর দাবি, এর আগেও একই এলাকায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে লুটপাটের ঘটনা ঘটেছিল। তারা দ্রুত জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।
তবে ডাকাতির ঘটনায় স্থানীয় কারও সম্পৃক্ততার বিষয়ে এলাকাবাসীর কিছু অভিযোগ ও সন্দেহের কথা শোনা গেলেও, এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং পুলিশও এ ধরনের কোনো তথ্য নিশ্চিত করেনি।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
যে আই