দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
বুধবার (২২ জুলাই) দুপুরে ‘শ্যামনগরের সচেতন নাগরিক সমাজ’-এর ব্যানারে শ্যামনগর বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও সমাবেশে মিলিত হয়। এতে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা স্থানীয় বাসিন্দা, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
বিক্ষোভকারীদের হাতে গাজী নজরুল ইসলামের ছবি ও প্রতীকী ঝাড়ু দেখা যায়। তারা অভিযোগগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

সমাবেশে উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী নুরজাহান পারভীন ঝর্ণা বলেন, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করে সত্যতা প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।
নাগরিক নেতা অধ্যাপক আবু সাইদ বলেন, জনপ্রতিনিধির প্রতি মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল, তা ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই সত্য উদঘাটন ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
নাগরিক নেতা আশেক ই এলাহি মুন্না বলেন, প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি বলে দাবি করা হলেও পরে একাধিক ভিডিও প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে সংসদ সদস্য ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ওই নারীকে তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী বলে উল্লেখ করেন। পরে আরও একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে তাঁকে একটি বাড়িতে স্থানীয়দের হাতে আটক অবস্থায় দেখা যাচ্ছে বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে। এসব ঘটনায় শ্যামনগরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন এবং অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান।
সমাবেশে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান কবির, জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট আশেক ই এলাহি মুন্না, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মাসুদুল আলম, চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, যুবদলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম দুলুসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
বিক্ষোভ চলাকালে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন ছিলেন। তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।
এমএম/