দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ে মাদক মামলার কার্যকর নিষ্পত্তিতে বিচার বিভাগ, পুলিশ ও প্রসিকিউশনের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন।
বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বগুড়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে প্রসিকিউশন বিভাগের আয়োজনে ‘মাদক মামলার কার্যকর নিষ্পত্তি: প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে মাদক মামলার বিচার দ্রুত শেষ করা সম্ভব হবে। এ জন্য পুলিশের পাশাপাশি আইনজীবীদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন। যেসব মামলায় দ্রুত সাক্ষ্য গ্রহণ সম্ভব হবে, সেসব মামলায় দীর্ঘ সময়ের পরিবর্তে স্বল্প ব্যবধানে ধার্য করা তারিখে বিচারকাজ এগিয়ে নেওয়া হবে।
সেমিনারে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল বাসেদ বলেন, আইনের ফাঁকফোকর ব্যবহার করে অনেক দাগি আসামি ছাড় পেয়ে যাচ্ছে, যা রোধ করতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বিচার বিলম্বিত হয়। আইন অনুযায়ী প্রয়োজন হলে পুলিশের সাক্ষ্যকেও গুরুত্ব দিয়ে বিচার সম্পন্ন করার সুযোগ রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মাদকের বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতিতে সবাইকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
জেলা পুলিশের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুসাইন মোহাম্মদ রায়হান বলেন, বগুড়ায় গত তিন মাসে গড়ে প্রতি মাসে ১২৫টি করে মাদক মামলা হয়েছে। কিন্তু এত মামলার পরও মাদক নিয়ন্ত্রণে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি আসেনি। তিনি অভিযোগ করেন, একাধিক মামলার আসামিরা সহজে জামিনে বের হয়ে আবার মাদক ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছে। এ ধরনের আসামিদের জামিনের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার জন্য বিচার বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, অভিযানের সময় অনেক ক্ষেত্রে ঘটনাস্থলে সাক্ষী পাওয়া যায় না এবং সাক্ষীদের ঠিকানা নিয়েও নানা জটিলতা তৈরি হয়। ছোট আকারের মাদক মামলাগুলো ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তির সুযোগ থাকলে ইতিবাচক ফল পাওয়া যেতে পারে বলেও মত দেন তিনি।
সেমিনারে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল হোসেন ও আবু হেনা সিদ্দিকী, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফসান ইলাহী, আরিফুল ইসলাম ও স্বপন হোসাইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক জিললুর রহমান, বগুড়া অ্যাডভোকেটস বার সমিতির সভাপতি শেখ রেজাউর রহমান মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, জেলার বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ আদালতের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও পাবলিক প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।
যে আই