দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী এলাকায় ২০১১ সালের আলোচিত ওয়াজেদ আলী প্রধান হত্যা মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। রায়ে প্রধান আসামি মো. মামুনুর রশীদ ওরফে সুমনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। একই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর ছয় আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে লালমনিরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২-এর বিচারক এস এম শফিকুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
খালাস পাওয়া আসামিরা হলেন— মো. শাহিন ওরফে পিচ্ছি শাহিন, মো. ফরিদুল ইসলাম ওরফে ভুট্টু, মো. নূর আলম, মো. লিটন মিয়া, মো. রবিউল ইসলাম ও মো. হাফিজুল ইসলাম। রায় ঘোষণার পর তাদের জামিনদারদের দায় থেকে অব্যাহতি দেন আদালত।
মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১১ সালের ২৪ আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিটে পাটগ্রাম উপজেলার উত্তরমারী (বুড়িমারী) এলাকায় ওয়াজেদ আলী প্রধানকে হত্যা করা হয়। পরদিন নিহতের বাবা মফিজাল হোসেন প্রধান পাটগ্রাম থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত ও ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শ্বাসনালি ও ডান পাশের প্রধান রক্তনালি কেটে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত প্রধান আসামি মামুনুর রশীদ ওরফে সুমনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (এপিপি) অ্যাডভোকেট মো. গোলাম মোস্তফা রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জানান, রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে লালমনিরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।