দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কক্সবাজারে সাম্প্রতিক বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও জেলার বিভিন্ন এলাকায় এখন স্পষ্ট হয়ে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। বন্যায় হাজারো মানুষের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, সড়ক ও সেতুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। দুর্গত এলাকাগুলোতে এখনও খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট কাটেনি।
জুলাই মাসের শুরু থেকে টানা ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে জেলার ৭০টি ইউনিয়নের প্রায় অর্ধেক এলাকা প্লাবিত হয়। সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমে আসায় অধিকাংশ এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমে গেলেও চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী নদীসংলগ্ন অনেক নিম্নাঞ্চলে এখনও পানি রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বন্যায় প্রায় ৪০ হাজার কৃষকের ৪ হাজার ২১১ হেক্টর কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ভেসে গেছে বহু ফসলি মাঠ ও মৎস্যঘের।
অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৬১৩টি বসতবাড়ি ও ৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রায় ২ হাজার ৪৪ কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৭৯টি সেতু ও সেতুর সংযোগ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত বা ধসে পড়েছে।
চকরিয়ার কাকারা, লইক্ষ্যারচর, মাতামুহুরী, পেকুয়াসহ বিভিন্ন দুর্গত এলাকায় এখনও ত্রাণের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন অনেক মানুষ। ত্রাণ কার্যক্রম শুরু হলেও এর সুষম বণ্টন নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে অভিযোগ ও প্রশ্ন রয়েছে।
এদিকে, কয়েক দিনের টানা বন্যা ও পাহাড়ধসের ঘটনায় জেলায় অন্তত ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
যে আই