দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)’র রাজাপুর উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিৎ মজুমদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রকল্পের প্রায় ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। স্বৈরাচারী সরকার আমলে দুর্নীতি পরায়ন ঠিকাদারদের সাথে যোগসাজসে আত্মসাতের সূচনা থেকে শুরু করে ছাত্রজনতার গণঅভ্যুত্থান পরবর্তি সময়ে এবং বিএনপির ক্ষমতা গ্রহণ পর্যন্ত এই তিন বছরে লুটপাট করে এখনও রয়েছে বহাল তবিয়তে। এরমধ্যে কাজের বিল কমিশন, পুরাতন লোহার ব্রীজের মামলামাল বিক্রির অর্থ আত্মসাত, প্রকল্পের সামান্য কাজ করে বরাদ্দ লোপাটসহ নিজে কাজ করিয়ে এই বিপুল পরিমান অর্থ আত্মসাত করেন। রাজাপুরের ঠিকাদার ও উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক নাসিম আকনের মৃত্যুর পর তার ভাইয়ের কাজের বিল না পাওয়ার সূত্র ধরে উপজেলা প্রকৌশলীর দূর্নীতির বিষয়টি সামনে আসে। রাজাপুর উপজেলার বিভিন্ন ঠিকাদার সূত্রে জানা যায়, বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সময় দলীয় সিন্ডিকেটের সহায়তায় অনিয়ম শুরু করেন অভিজিত মজুমদার। ২০২৪ এর আগস্টে সরকার পতনের পর তিনি শেল্টার নেন উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক নাসিম আকনের। নাসিম আকন ২০২৫ সালের ২৫অক্টোবর মারা যাবার আগে উপজেলা প্রকৌশলীর লুটপাটের প্রমাণ হাতেনাতে ধরে ফেলেন। সেই থেকে তার সহায়তায় সমঝোতার ভিত্তিতে প্রকৌশলীর দূর্নীতির মাত্রা আরো বেড়ে যায়। দীর্ঘ দিন তিনি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় ঠিকাদাররা একাধিকবার আন্দোলনসহ উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দিয়েও এখান থেকে সরাতে পারেনি। অভিযোগ রয়েছে বিএনপি নেতা মরহুম নাসিম আকনকে ঠিকাদারী সুযোগ সুবিধা দিয়ে তিনি অবৈধ সুবিধা নিয়ে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হয়ে যান।
সূত্র জানায় বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের এই আসন (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) এর সাবেক এমপি বজলুল হক হারুন কাজের কমিশন নিতেন না। তাই এখানে প্রচুর পরিমান ব্রীজ কালভার্ট ও রাস্তার কাজে সহজেই লাভবান হতো ঠিকাদার প্রকৌশলী দু’পক্ষই। এ সুযোগে ভূয়া প্রকল্পের কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হয়। ফলে অপ্রয়োজনীয় অনেক স্থানে ব্রীজ কালভার্ট নির্মিত হলেও ভারী যানবহন চলাচল না করায় পরে আছে। মূলত এই সুযোগটাই লুফে নেয় উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিত মজুমদার। এছাড়াও প্রচুর পরিমান লোহার ব্রীজ সরিয়ে আরসিসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ করা হয়। এসব লোহার ব্রীজের মালামাল বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে। তিনি এসব মালামাল ইউনিয়ন পরিষদে জমা রেখেছেন জানালেও ইউপি চেয়ারম্যানরা বলছেন ডাহা মিথ্যা কথা। বিএনপি নেতা মরহুম নাসিম আকনের ভাই ফিরোজ আলম জানান, আমার ভাইয়ের মৃত্যুর পর তার অসমাপ্ত কয়েক কোটি টাকার কাজ আমি সমাপ্ত করেছি। কারণ ভাইয়ের সংসার পরিচালনা ও তার ধার দেনা পরিশোধে এসব কাজের বিল ছাড়া কোন উপায় নেই। কিন্তু যখন বিল উত্তোলন করতে যাই তখন উপজেলা প্রকৌশলী বলেন আপনার ভাই সামান্য কাজ করে বিল নিয়েছে আগেই। তাই আপনি বিল পাবেন না। কাজ না করে এভাবে কোটি কোটি টাকার অগ্রিম বিল দিয়েও লাখ লাখ টাকা লাভবান হন এই প্রকৌশলী। অথচ আমি যখন এসব অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করি তখন সে কিছুই বলেনি। এ ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে নাসিমের ভাই ঠিকাদার ফিরোজ আলম উপজেলা প্রকৌশলীর দূর্নীতির বিষয়ে মুখ খুলেন।
ঠিকাদার সূত্র জানায়, এ উপজেলায় আইবিআরপি প্রকল্পের ২০২২থেকে ২০২৫সন পর্যন্ত আরসিসি ৫০টি গার্ডার ব্রীজের নির্মান ব্যায় বরাদ্দ ছিল কমপক্ষে ১শ কোটি টাকা| যার চুড়ান্ত বিল প্রদান করেন অভিজিত মজুমদার| এসব ব্রীজের অনেকাংশে কোন প্রয়োজন না থাকায় তা পরে আছে| কিছু ব্রীজ নির্মাণ করা হলেও এখন পর্যন্ত এ্যাপ্রোচ সড়ক না হওয়ায় কোন ভারী যানবহন চলাচল করতে পারছে না| আবার কিছু কিছু ব্রীজ সংযুক্ত সড়ক দিয়ে ভারী যানবহন চলাচলের রুট নেই|
সরেজমিনে গিয়ে এরকম একাধিক ব্রীজ দেখতে পাওয়া যায়| যদিও এলজিইডি বিভাগের তালিকায় রাজাপুরে এ্যাপ্রোচ সড়ক না থাকা এবং চলাচলের অনুপোযুগী ব্রীজ দেখানো হয়েছে মাত্র ২টি| সে দুটি হচ্ছে ১৮মিটারের গালুয়া ইউপি অফিস থেকে কাটাখালি বাজার হয়ে গালুয়া মাদ্রাসা পর্যন্ত ১টি এবং একই সড়কে ৩৩মিটারের আরেকটি ব্রিজ| এ ছাড়াও নাপিতের হাট ভায়া মোশারেফ বাড়ি সড়কে ৪৩মিটারের ১টি, ২৩ ও ১৪মিটারের নাপিতের হাট ভায়া মঠবাড়ি সড়কে ২টি, ১৪ ও ১২মিটারের হাজিরহাট থেকে শুক্তাগড় হয়ে গেড়াপালপুর সড়কে ২টি, ৯মিটারের মোল্লারহাট থেকে শ্রীমন্তকাঠি হয়ে বলারজোর হাট সড়কে ১টি, ১৯মিটারের শুক্তাগড় ইউপি অফিস হয়ে জগইরহাট সোনালী মোড় পর্যন্ত ১টি, একই সড়কে ২০মিটারের আরো ১টি ব্রীজের এ্যাপ্রেচ সড়ক নেই বললেই চলে| এলাকাবাসি বলছে দায়সারা এসব ব্রীজ করে শুধু বরাদ্দ লুটাপট হয়েছে| কিন্তু বাস্তবে অপ্রয়োজনীয় এসব ব্রীজে এখন মানুষ, সাইকেল ও অটো রিকসা ছাড়া কিছুই চলাচল করেনা| এসব ব্রীজের এ্যাপ্রোচ সড়কে কোন রকম সুরকি বালু দিয়ে চলাচলের উপযোগী করে রাখতে দেখা গেছে| ৫০টি ব্রীজের পাইল নির্মাণ না করে শুধু বেইজ ঢালাইয়ের মাধ্যমে ঠিকাদারকে সুবিধা দেয়া হয়েছে| বিনিময় কমপক্ষে ১০লাখ করে ৫কোটি টাকা আত্মসাত করেন অভিজিত মজুমদার| এসব ব্রীজে প্রতিটির নির্মাণ স্থলে পুরানো লোহার ব্রীজ ছিল| প্রতিটি ব্রীজের লোহার মামলামাল গড়ে ১০লাখ টাকার হিসাবে বিক্রি করে আরো ৫কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়| নিয়মানুযায়ি এসব মালামাল ইউনিয়ন পরিষদের রেজুলেশনের মাধ্যমে ইউপি চেয়ারম্যানের জিম্মায় রাখার কথা| পাশাপাশি লোহার ব্রীজ ভাঙ্গার আগে প্রতিটি ব্রীজের ছবি ও তালিকা সংরক্ষিত রাখার নিয়ম উপজেলা প্রকৌশলীর দপ্তরে| কিন্তু এরকম কোন কিছুই দেখাতে পারেনি উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিত মজুমদার| বেশ কিছুদিন আগে রাজাপুর টিএন্ডটি সড়কে জেলখানার কাছাকাছি ১২মিটারের একটি লোহার ব্রীজ ভেঙ্গে ফেলা হয়| সেই মালামাল ছেড়ে দিয়ে ঠিকাদারের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে| এই কালভার্ট নির্মানের ঠিকাদার সাখাওয়াত হোসেন রাব্বি লোহার ব্রীজের মালামাল কোথায় তা তিনি জানাতে পারেনি| এছাড়াও উপজেলা প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে গত ৩বছরে এসব কাজের বিল ছাড়ের সময় ২%কমিশন হিসাবে আরো ২কোটি টাকা নেয়ার অভিযোগ ওপেন সিক্রেট|
অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে এডিপি প্রকল্পের লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করা হয়| উপজেলা বিএনপি নেতা মরহুম নাসিম আকনকে অবৈধ সুবিধা দিয়ে প্রকৌশলী এ প্রকল্প দিয়েও হাতিয়ে নিয়েছেন লাখ লাখ টাকা| ঐ অর্থ বছরের ৫টি কাজ না করেই পুরো টাকা আত্মসাত করা হয়| উপজেলা প্রকৌশলী ছিলেন প্রকল্প কমিটির সদস্য সচিব| তদন্ত হলে এ কাজের কোন নমুনা পাওয়া যাবেনা বলে দাবি এলাকাবাসির| কাজ গুলো হচ্ছে আংগারিয়া পাকা রাস্থা হতে খলিল মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত ইট সলিং, আলগী জামে মসজিদ হতে জালাল সিকদারের বাড়ি পর্যন্ত মাটির কাজ রাস্তার ইট সলিং, রাজাপুর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার মেরামত ও আসবাবপত্র ক্রয়, বামনকাঠি হাই স্কুল মেরামত, চরকেওতা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মেরামত| এছাড়া আরো ৫০লাখ টাকার নামমাত্র কাজ করে লাখ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে| আরো ২০লাখ টাকার কাজ কাগজে কলমে ঠিকাদার দেখিয়ে সাবকন্ট্রাকটর মো. মজিবুর রহমানের মাধ্যমে উপজেলা প্রকৌশলী নিজে করিয়েছেন| যার মাধ্যমে সিংভাগ বরাদ্দে টাকা তিনি আত্মসাত করেন বলে জানা যায়|
এ বিষয়ে সাব কন্ট্রাকটর মো. মজিবর জানান, উপজেলা প্রকৌশলী আমাকে দিয়ে কয়েকটি কাজ করিয়েছে| কিন্তু কি দিয়ে কি করছি তা আমি বলতে পারবনা| আবার ঢালাইর সময় তিনি সাইডে এসে খরচের টাকা দাবি করেন| আমি নিজেই তাকে ৫ হাজার টাকা দিয়েছি|
রাজাপুরের স্থানীয় ঠিকাদার বিএনপি নেতা হায়দার হোসেন জানান, এই অভিজিত মজুমদার এখানে দীর্ঘ দিন থেকে এলজিইডি বিভাগকে দূর্নীতির আখরায় পরিণত করেছে| ২০২৫সনে টেন্ডার নিয়ে তার দূর্নীতির প্রতিবাদে এলজিইডি, দুদক, মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে ডকুমেন্টরি অভিযোগ দিলেও কিছুই হয়নি| মোটা অংকের বিনিময়ে সে তার পছন্দনীয় ঠিকাদারকে ওটিএম পদ্ধতিতে কাজ দিয়ে ছিল| অথচ সাধারণ ঠিকাদারদের দাবি ছিল এটিএম পদ্ধতিতে টেন্ডার দেয়া| সবাইকে তিনি ম্যানেজ করে এখানে থেকে যা ইচ্ছা তাই করছেন| এখন আর এসব বলি না, কারণ জানি কিছুই হবেনা| তিনি নিজেই বড় বড় লাইসেন্সে কাজ নিয়ে করাচ্ছেন| তার নাকি খুটি অনেক শক্ত| সম্প্রতি রাজাপুরের শুক্তাগড় ইউনিয়নের সাংগর গোপালপুর সড়কে ৪২লাখ টাকার নির্মানাধীন ব্রীজ হস্তান্তরের আগেই ভেঙ্গে পরেছে| অভিযোগ রয়েছে এই অভিজিত মজুমদার উৎকোচ নিয়ে কম এবং নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে আওয়ামীলীগের ঠিকাদারকে কাজের সুযোগ দেয়ায় তা ভেঙ্গে যায়|
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, এছাড়াও আπফান প্রকল্প, গ্রামীণ সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ না করে বরাদ্দের ৭০লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়| বিএনপি নেতা ঠিকাদার নাসিমের মৃত্যুতে এসব কাজ তার ভাই ফিরোজ আলম করার পর বিল নিতে গেলে উপজেলা প্রকৌশলী বলেন, আপনার ভাই বিল আগেই নিয়ে গেছেন| এভাবে ফিরোজ আকন ভাইয়ের অসমাপ্ত করে বিল না পেয়ে কোটি কোটি টাকার লোকসানে পরেন|
রাজাপুর গালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও সাবেক মেম্বর আমিনুল ইসলাম তার ইউনিয়নে লোহার ব্রিজের মালামাল এলজিইডি কর্তৃক হস্তান্তরের বিষয়ে বলেন, ২০২১ থেকে আমি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি| কিন্তু এই সময়ে আমার ইউনিয়নে নির্মিত গার্ডারের স্থানে লোহার ব্রীজের কোন ভীম, এঙ্গেল, নাটবল্টু, হ্যান্ডেল কিছুই পাইনি| লোহার ব্রীজের মালামাল কখনই রেজুলেশনের মাধ্যমে পাইনি বা এলজিইডি জমা দেয়নি|
সাতুরিয়া ইউনয়নের অপর নির্বাচিত ইউপি চেয়ারম্যান সৈয়দ মাইনুল হায়দার নিপু এ প্রসঙ্গে বলেন, আমার সময়ে ৪টি গার্ডার ব্রীজ হলেও সেখানে লোহার ব্রীজ ভাঙ্গার আগে কখনোই এলজিইডি প্রকৌশলী অবগত করেনি| লোহার ব্রীজ ভাঙ্গার পর যে সব কোন কাজে লাগেনা সেগুলো পাই| তবে অধিকাংশ মালামাল বুঝিয়ে না দিয়ে বিক্রির অভিযোগ সঠিক| আমার ইউনিয়নের ২ ও ৩নং ওয়ার্ডে সিমান্তে বোর্ড অফিস খালের উপর প্রায় ৮০মিটারের লোহার ব্রীজ ভাঙ্গার পর এই প্রকৌশলী মালামাল বুঝিয়ে দেয়নি| সেই চোরাই মালামাল ধরার পর প্রকৌশলী ডিজাইন অনুযায়ি এসব মালামাল আমি পাবনা বলে অধিকাংশ তিনি নিয়ে যায়| কোন ইউনিয়ন পরিষদ এসব মালামাল পেয়েছে বলে আমার জানা নেই| সম্প্রতি এসএ ট্রেডিং কর্পোরেশন লিঃ এর ঠিকাদার মো. শহিদ জানান, নৈকাঠি লেবুবুনিয়ার রাস্তা মেরামতের কাজ শেষ| এ কাজে উপজেলা প্রকৌশলী আমাকে আটকে এসও’র সহায়তায় ১লাখ ২০হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছে| ঠিকাদারদের জিম্মি করে তিনি কোটি কোটি টাকা কামিয়েছে এখানে থেকে| এর আগে নলবুনিয়া রাস্তার কাজের বিল আনার সময় ঘুষ নিয়েছে| এছাড়াও ঠিকাদার লিটন ও ফায়জুলের গার্ডার ব্রীজের কাজে ৫লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছে| কিভাবে এই ঘুষখোর প্রকৌশলী ১৭বছর স্বৈরাচার সরকারের সাথে লুটপাট করেও এখনো রাজাপুরে বহাল তবিয়তে|
এসব অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী অভিজিত মজুমদার বলেন, আমি যোগদানের পর ১৭টি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ হয়েছে। এসব ব্রীজের স্থানে লোহার ব্রীজের ছবি ও তালিকা সংরক্ষিত আছে। এছাড়া প্রতিটি ব্রীজের মালামাল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের কাছে জমা দেয়া হয়েছে। ব্রীজ গুলোর নির্মিত এ্যাপ্রোচ সড়ক সঠিক ভাবে করা হয়েছে। টিএন্ডটি সড়কে নির্মিত কালভার্টের স্থলে লোহার মালামাল ঠিকাদারের জিম্মায় আছে।
প্যাকেজের কাজ শেষ হলে তখন বুঝে নেয়া হবে বলে তিনি জানান, এডিপি প্রকল্পের সাব কন্ট্রাকটর মজিবুর রহমানকে চিনলেও তার মাধ্যমে কাজ করানোর কথা অস্কীকার করেন। বিএনপি নেতা নাসিমের সাথে ঠিকাদার হিসাবে সুসম্পর্ক থাকার কথা জানিয়ে বলেন তার কাজের কিছু বিল পাওনা ছিল। কিন্ত তার ভাই বেশি বিল দাবি করেন। তা আমি না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হন।
কেএম