দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সাতক্ষীরার সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে আবারও একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর (শোন অ্যারেস্ট) আদেশ দিয়েছেন আদালত।
সোমবার (১৩ জুলাই) সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডলের আদালত মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার এসআই অনাথ মিত্রের আবেদনের পর দুই দফা শুনানি শেষে আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি যশোরের পিকনিক কর্নারের সামনে শহিদুল ইসলাম হত্যা মামলায় তাকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সাতক্ষীরা সদর থানায় দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১, ১৪৯, ৩৪ ও ৪৬৪ ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২০ মে রাতে সাতক্ষীরা শহরের রাধানগরের নিজ বাসা থেকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও হত্যাসহ একাধিক মামলায় পর্যায়ক্রমে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
সেঁজুতির আইনজীবী অ্যাডভোকেট আল মাহামুদ পলাশ বলেন, সর্বশেষ মামলায় গত ৩ জুন হাইকোর্ট তার মক্কেলকে জামিন দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে জামিন স্থগিতের আবেদন করলেও কোনো আদেশ হয়নি। এরপরও একের পর এক মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হচ্ছে। তিনি জানান, ২৫ জুন জিআর-৩৯৯/২৪ এবং ৯ জুলাই জিআর-৪০২/২৪ মামলাতেও আদালত তার মক্কেলকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন।
মামলার বাদী সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাশেমপুর গ্রামের ইমদাদুল হক। ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট তিনি সাতক্ষীরার আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। পরে আদালতের নির্দেশে এটি এফআইআর হিসেবে সদর থানায় নথিভুক্ত হয়।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বাদীর ভাই ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী শহিদুল ইসলামকে ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে যশোরের পিকনিক কর্নারের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়। মামলায় তৎকালীন পুলিশ সুপার চৌধুরী মঞ্জুরুল কবিরসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বাদীর দাবি, সে সময় মামলা নেওয়া হয়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতে সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের পর তিনি মামলা দায়ের করতে সক্ষম হয়েছেন।
তবে মামলার অভিযোগের বিষয়ে লায়লা পারভীন সেঁজুতি বা তার পক্ষে আদালতে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এমএস/