দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জয়পুরহাটে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) পৃথক অভিযানে মাদকসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আরও দুজনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার আক্কেলপুর, কালাই ও সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, জয়পুরহাট জেলা কার্যালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অভিযানে মোট এক হাজার ৭২১টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ২০টি ইয়াবা, একটি মোটরসাইকেল এবং দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় চারটি নিয়মিত মামলা এবং দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মামলা হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন আক্কেলপুর উপজেলার হরিসাড়া গ্রামের মো. হারুন (৪১), গোপীনাথপুর গ্রামের মো. আব্দুর সোবাহার (৩২), কালাই উপজেলার আতাহার গ্রামের মো. আব্দুর ওহাব (৪৭), পাঁচবিবি উপজেলার ত্রিপুরা গ্রামের মো. রাশেদ মণ্ডল (২৬) এবং দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার দক্ষিণ বাসুদেবপুর গ্রামের মো. আব্দুর রশিদ শেখ (৪২)।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আক্কেলপুর ও কালাই উপজেলায় পৃথক অভিযানে ১০০টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট, ১৯০টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট ও ২০টি ইয়াবা এবং ৩১টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেটসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে জয়পুরহাট সদর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে এক হাজার ৪০০টি টাপেন্টাডল ট্যাবলেট, একটি মোটরসাইকেল ও দুটি মোবাইল ফোনসহ আরও দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এদিকে কালাই ও আক্কেলপুর উপজেলায় পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই পিস টাপেন্টাডল ট্যাবলেট রাখার দায়ে দুই ব্যক্তিকে যথাক্রমে তিন মাস ও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১০০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কালাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামীম আরা এবং আক্কেলপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আবিদা খানম বৈশাখী।
অভিযানগুলোর ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জয়পুরহাট জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. ইলিয়াস হোসেন তালুকদার ও উপপরিদর্শক মো. সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
জয়পুরহাট জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক শাকিল আহম্মেদ বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
এমএম/