দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৈকত হাসান আকাশ হত্যা মামলায় দুই ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া অপর দুই আসামিকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) মো. সামছুদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন নাজমুল হক (২৬) ও এনামুল হক। দণ্ডপ্রাপ্ত অপর দুই আসামি হলেন তাদের বাবা জিয়াউল হক (৫৭) ও চাচা জুলহাস উদ্দিন (৩৭)। তারা সবাই ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভূগলী নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রায় ঘোষণার সময় নাজমুল হক, জিয়াউল হক ও জুলহাস উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এনামুল হক পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্র জানায়, ২০২১ সালের ১৯ মে রাতে এক তরুণীকে দিয়ে সৈকত হাসান আকাশকে বাড়ি থেকে ডেকে নেওয়া হয়। পরে তার গলা কেটে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়। দুই দিন পর, ২১ মে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, সদর উপজেলার অষ্টধার উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী আকাশের সঙ্গে স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়েটির পরিবার ওই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। এর জের ধরেই পরিকল্পিতভাবে আকাশকে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয় এবং মরদেহ গোপন করতে মাটিতে পুঁতে রাখা হয়।
ঘটনার পরদিন আকাশের বাবা মো. আকরাম হোসেন কোতোয়ালি মডেল থানায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৪ জানুয়ারি পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে এপিপি মো. আবু হানিফ খান এবং আসামিপক্ষে আইনজীবী মো. রফিকুল ইসলাম খান শুনানি পরিচালনা করেন।
জে আই