দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ভোলায় ব্যতিক্রমী আয়োজনে দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়েছে চাকরি মেলা।
শনিবার (২০ জুন) সকাল থেকেই মেলায় চাকরি প্রত্যাশীদের পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
কর্মসংস্থানের আশায় সকাল থেকেই গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে জড়ো হন শত শত চাকরিপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণী। মেলায় বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দেড় শতাধিক যুবক-যুবতির চাকরি হয়েছে। এতে উচ্ছ্বাসিত তারা।
পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন-পিকেএসএফের সহযোগিতায় ও গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার আয়োজনে এ চাকরি মেলার মূল লক্ষ্য স্থানীয় যুব সমাজের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। মেলায় অংশ নেয় বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সংস্থা। চাকরিপ্রত্যাশীরা জীবনবৃত্তান্ত জমা দেন, কেউ কেউ সরাসরি সাক্ষাৎকারেও অংশ নেন। চাকরির আশায় ভোলার বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও দূর-দূরান্ত থেকে ছুটে আসেন অনেকে।
চাকুরি প্রত্যাশী কয়েকজন তরুনী জানান, আগে চাকুরির ইন্টাভিউ দিতে তাদের ঢাকায় যেতে হতো। এতে সময় এবং অর্থ ব্যয় হতো কিন্তু এমন আয়োজন থাকায় খুব সহজেই ইন্টারভিউতে অংশ নিতে পারছেন। এদের মধ্যে অনেকের কর্মসংস্থান হয়েছে।
তারা আরও জানান, এমন আয়োজন নিয়মিত হলে স্থানীয় পর্যায়ে বেকারত্ব কমাতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
তবে আয়োজকরা বলছে, দক্ষ জনশক্তিকে কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত করাই এ মেলার প্রধান উদ্দেশ্য।
মেলার আয়োজক জিজেইউএস পরিচালক অ্যাডভোকেট বিথী ইসলাম বলেন, চাকুরি মেলায় চাকুরি প্রত্যাশীদের ঢল নেমেছে। নিজেদের যোগ্যতায় তারা চাকুরি খুঁজে পাচ্ছেন। এতে বেকারদের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে। ভবিষ্যতেও এমন আয়োজন থাকবে।
একদিনের এ চাকরি মেলায় কয়েক শতাধিক তরুণ-তরুণী অংশ নিয়েছেন। মেলায় ২০টি প্রতিষ্ঠানের স্টল বসে। মেলায় ২ শতাধিক তরুণ-তরুণীর চাকুরি হয়েছে।
এ ধরনের আয়োজনকে সাদুবাদ জানিয়ে ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামিম রহমান বলেন, সব প্রতিষ্ঠান যদি এমন আয়োজন করে তাহলে চাকুরির জন্য যুবক-যুবতীদের দুরে যেতে হবে না।
কেএম