দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় গ্রাম আদালত বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এক ক্যাম্পেইনে বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করানো নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে।
বুধবার (১০ জুন) বিকেলে উপজেলার ভদ্রঘাট শামছুন মহসীন উচ্চ বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার পরিবর্তে বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণির অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে ক্লাস থেকে বের করে র্যালি ও আলোচনা সভায় অংশ নিতে বলা হয়।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল ৪টা পর্যন্ত পাঠদান কার্যক্রম চলার কথা থাকলেও বেলা ৩টার দিকে শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রথমে একটি র্যালি বের করা হয়। পরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গ্রাম আদালত বিষয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিতদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন শিক্ষার্থী।
এ ঘটনায় সচেতন মহলে প্রশ্ন উঠেছে, গ্রাম আদালত মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের পারিবারিক, সামাজিক ও আর্থিক বিরোধ নিষ্পত্তির একটি ব্যবস্থা হলেও এ বিষয়ে সচেতনতা তৈরির কর্মসূচিতে কেন শিশু-কিশোর শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ করানো হলো। প্রকৃত উপকারভোগী সাধারণ মানুষের উপস্থিতি তুলনামূলক কম ছিল বলেও অভিযোগ রয়েছে।
বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাছিদা খাতুন বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগে থেকেই জানানো হয়েছিল যে বিদ্যালয়ে কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিজেও উপস্থিত ছিলেন। আমরা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী সহযোগিতা করেছি।
সিরাজগঞ্জ জেলা জজ আদালতের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম মল্লিক বলেন, গ্রাম আদালতে যেসব বিষয় নিষ্পত্তি করা হয়, তা মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই ক্লাসের শিক্ষার্থীদের এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ড. বিপাশা হোসাইন বলেন, বিদ্যালয়ের ছুটির বিষয়টি আমাকে জানানো হয়নি এবং আমার জানা ছিল না। আগে থেকে জানলে আমি ক্লাস চলাকালে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের অনুমতি দিতাম না। এক ঘণ্টা আগে ছুটি দেওয়া হয়েছে বলে জেনেছি, তবে বিষয়টিকে বড় কোনো ত্রুটি হিসেবে দেখছি না।
জে আই