দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ঈদুল আজহার সরকারি টানা ছুটির শেষ দিনে পর্যটকদের আনাগোনায় উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকতশহর কক্সবাজার। এতে মুখরিত জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলো। এ নিয়ে হোটেল-মোটেল সহ পর্যটন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের চতুর্থদিনে ৬০ থেকে ৭০ শতাংশের মত হোটেল কক্ষ ভাড়া হয়েছে। এতে অন্তত লাখখানেক পর্যটকের সমাগম ঘটেছে। আগামী ২/৩ দিন পর্যটকের এই ঢল অব্যাহত থাকবে এমনটা আশা তাদের। এদিকে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা ও হয়রানি রোধে সার্বিক ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলছেন, ট্যুরিস্ট পুলিশ ও লাইফ গার্ডের সংশ্লিষ্টরা।
দেশে পর্যটনের প্রধান কেন্দ্র কক্সবাজার, রোববার ( ৩১ মে) সকাল থেকেই দেশের নানা প্রান্তের ছুটে আসা ভ্রমণপিপাসুর পদচারণায় মুখরিত লাবণী থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত তিন কিলোমিটার এলাকার সমুদ্র সৈকত। ইট-পাথরের কোলাহল ছেড়ে যান্ত্রিকজীবনের অবসাদ কাটা ছুটে আসা এসব মানুষের আনন্দ-উচ্ছ্বাসে উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে সৈকতশহর। আগত পর্যটকদের কেউ বিচবাইকে, কেউ ঘোড়ায়; আবার কেউ জেটস্কিতে চড়ে বিনোদনে মেতেছেন। কেউ কেউ বিস্তৃত বালিয়াড়িতে ঘুরে উপভোগ করছে সাগরে অপরূপ সৌন্দর্য্য। অনেকে মোবাইল ও ক্যামেরায় ছবি তুলে স্মৃতি ধারণের পাশাপাশি কেউ কেউ সৈকতের কিটকটে বসে উপভোগ করছেন সাগরের হিমেল হাওয়ার পরশ। তবে ঘুরতে আসা পর্যটকের অধিকাংশই মেতেছেন সাগরের লোনাজলে অবসাদ অবগাহনে।

পর্যটকরা বলছেন, ঈদ কিংবা টানা ছুটি পেলেই তারা ছুটে আসেন কক্সবাজার। ক্লান্ত দেহমনের অবসাদ কাটানো এবং নির্বিঘ্নে ভ্রমণের জন্য কক্সবাজারের মত দ্বিতীয়টি আর নেই।
হোটেল প্রাসাদ প্যারাডাইজ-এর জেনারেল ম্যানেজার ইয়াকুব আলী জানান, ঈদুল আজহার প্রথম দুইদিন মানুষ কোরবানির আনুষ্ঠানিকতা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় পর্যটকের উপস্থিতি কিছুটা কম ছিল। কিন্তু তৃতীয়দিন থেকে পর্যটকরা কক্সবাজারমুখি হতে শুরু করে। তবে অন্যবছরের ঈদুল আজহার ছুটির চাইতে এবার পর্যটক উপস্থিতি কিছুটা কম। তারপরও অমৌসুমে ঈদকে কেন্দ্র করে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটক আশায় খুশি তারা।
ট্যুরিস্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক মনিরুল ইসলাম বলেন, আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা ও হয়রানি রোধে সার্বিক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
কক্সবাজারে সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি অপরূপ সৌন্দর্য্যের মেরিন ড্রাইভ, হিমছড়ি ঝর্ণা, ইনানী ও পাটুয়ারটেকের পাথুরে সৈকত, ডুলাহাজার বঙ্গবন্ধু সাফারী পার্ক, রামুর বৌদ্ধ বিহার, মহেশখালীর আদিনাথ মন্দির এবং শহরের বার্মিজ মার্কেট সহ জেলার বিনোদন কেন্দ্রগুলো আগত পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে।
এমএম/