দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

মেহেরপুরে ৫ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় শাকিল হোসেন ( ২৩) নামের এক ব্যক্তিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন জেলা শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল।
রোববার (২৪ মে) দুপুর দেড়টার সময় মেহেরপুর জেলা শিশু সহিংসতা আদালতের বিচারক মো. তাজুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। দেশের ইতিহাসে প্রথমবার ২৯ কার্য দিবসের মধ্য স্ব-শরীর ও ভার্চুয়াল ভিডিও কলের মাধ্যমে তিন দিনে সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শাকিল হোসেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চাঁদপুর গ্রামের আব্দাল হাসানের ছেলে।
ফাঁসির রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন মেহেরপুর নারী ও শিশু দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।
মামলার বিবরণীতে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৬ই জুন গাংনী উপজেলা চাঁদপুর গ্রামের পঞ্চম শ্রেণির পড়ুয়া মেয়ে তার পিতাকে বাড়ির পাশের মাঠে খাবার দিতে যাওয়ার সময় ধর্ষক শাকিল হোসেন শিশুটিকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে পাট ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে মেয়েটির বাড়ি ফিরে তার পরিবারকে ধর্ষণের বিষয়টি জানালে মেয়েটির পিতা ইছানুল হক গাংনী থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়ের পর পুলিশ ধর্ষককে আটক করে কারাগারে প্রেরণ করে। আদালত ২৯ কার্য দিবসের মধ্যে ধর্ষণ মামলায় ১২ জন সাক্ষীর ভার্চুয়ালি ভিডিও কলে ও সশরীরে সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ধর্ষক শাকিব হোসেনকে আদালত মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
আসামিপক্ষে আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন।
এদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন। তিনি বলেন, ‘বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশে শিশু ধর্ষণ ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে এই রায় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। মাত্র ২৯ কার্যদিবসে এমন একটি রায় দেশে প্রথম।’
এদিকে ভুক্তভোগীর পরিবার এই রায়ে সন্তুষ্ট বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। মামলার বাদী বলেন, ‘দেশে আর কোনো শিশু কিংবা নারী যেন ধর্ষণের শিকার না হয়।’
অন্যদিকে, দণ্ডপ্রাপ্ত শাকিল হোসেনের পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মারুফ আহমেদ বিজন বলেন, ‘মামলায় অনেক ত্রুটি রয়েছে। উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে।
/অ