দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) উপজেলায় নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর পরিত্যক্ত বাড়ির পাশ থেকে নির্মল হালদার ওরফে নির্মল ওঝা (৬০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের পশ্চিম কুড়িয়ানা গ্রামের বিপেন হালদারের ছেলে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) সকালে উপজেলার স্বরূপকাঠি সদর ইউনিয়নের পানাউল্লাহপুর গ্রামের শিক্ষক মো. শাহ আলমের পরিত্যক্ত ঘরের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহতের ভাগিনা দিলীপ হালদার জানান, সোমবার রাত আনুমানিক ১১টার দিকে তারা জানতে পারেন নির্মল হালদার নিখোঁজ হয়েছেন। পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তাকে না পেয়ে নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। মঙ্গলবার সকালে খবর আসে পানাউল্লাহপুর গ্রামের একটি বাড়ির পাশে তার লাশ পড়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘মামার সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল না। তিনি গলায় চেইনের সঙ্গে প্রায় দেড় ভরির দুটি স্বর্ণের লকেট পরতেন। এছাড়া সবসময় তার কাছে কিছু নগদ টাকাও থাকত।’
নিহতের সম্পর্কের ভাই ও প্রতিবেশী সমিরণ রায় জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার বিকেলে নির্মল স্থানীয় কুড়িয়ানা বাজারে যান। রাত ৮টার পর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। মোবাইলে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। পরে ওই রাতেই থানায় জিডি করা হয়। সকালে জানতে পারেন পানাউল্লাহপুর গ্রামে তার লাশ পাওয়া গেছে।
তিনি আরও জানান, নির্মল হালদার তান্ত্রিক বা ওঝালি পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেওয়ার জন্য নেছারাবাদসহ আশপাশের কয়েকটি উপজেলায় পরিচিত ছিলেন। পাশাপাশি মানুষের বিপদ-আপদে টাকা ধার দিতেন। ঘটনার দিন তার গলায় স্বর্ণের দুটি লকেট ও সঙ্গে কিছু নগদ টাকা ছিল বলেও জানান তিনি।
নেছারাবাদ থানার ওসি মো. মেহেদী হাসান জানান, সকালে পানাউল্লাহপুর গ্রামের শিক্ষক মো. শাহ আলমের পরিত্যক্ত ঘরের পাশ থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ তদন্ত করছে এবং পুলিশের ডিটেকটিভ টিমকে জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলা সম্ভব নয়।
এমএস/