দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শেরপুরের নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক গৃহবধূর মরদেহ রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও স্বজনদের বিরুদ্ধে।
রোববার (১০ মে) সকালে শিম্পা খাতুন (২৪) নামে ওই গৃহবধূকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্বামী মহিজুল ইসলামসহ পাঁচজন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে তারা কৌশলে হাসপাতাল ত্যাগ করেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
নিহত শিম্পার শ্বশুরবাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার ছনধরা ইউনিয়নের লাউয়াই গ্রামে। তিনি মহিজুল ইসলামের স্ত্রী।
নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. মালিহা নুঝাত বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই শিম্পার মৃত্যু হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়। পরে ইসিজি পরীক্ষার মাধ্যমে তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
তিনি বলেন, মৃত্যুর কারণ জানতে চাইলে সঙ্গে আসা লোকজন একেকজন একেক ধরনের তথ্য দেন। পুলিশকে খবর দেওয়ার আগেই তারা চলে যান।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, টাকার বিষয় নিয়ে শনিবার রাত থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহতের বাবা নায়েব আলী অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই তার মেয়েকে টাকার জন্য নির্যাতন করতেন মহিজুল ইসলাম।
তিনি বলেন, জামাই জুয়া খেলত। মেয়েকে মোবাইল কিনে দেওয়ার পর সেটিও বিক্রি করে টাকা চাইত। টাকা না দিলে নির্যাতন করত। মেয়ের মাথায় আঘাত করা হয়েছে, মুখ দিয়ে রক্ত বের হতে দেখেছি।
তিনি আরও বলেন, মেয়ের সংসারের জন্য জামাইকে ভ্যানগাড়ি কিনে দেওয়া ও বসতভিটা করে দেওয়ার পরও নির্যাতন বন্ধ হয়নি।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিপন চন্দ্র বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল সম্পন্ন করেছে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ফুলপুর থানার ওসি ফিরোজ হোসেন বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন। অভিযোগের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জে আই