দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় শিমু আক্তার (৩৫) নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনা চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।
শিমু আক্তার নড়িয়া পৌরসভার বাড়ৈপাড়া এলাকার কুদ্দুস খানের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি ঢাকায়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিমু আক্তারকে অচেতন অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী কুদ্দুস খান ও তার পরিবারের লোকজন। পরে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এদিকে চিকিৎসক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করার পরপরই শিমুর স্বামী কুদ্দুস খান ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন হাসপাতালে মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে।
এ বিষয়ে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, আমরা খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠিয়েছি। ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন পলাতক রয়েছে। তাদের ঘরেও তালা ঝোলানো রয়েছে। আমরা মেয়ের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। এছাড়াও হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসক জানিয়েছেন, নিহতের গলায় দাগ আছে।
/অ