দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বাগানে ফুটেছে দৃষ্টিনন্দন দূর্লভ মে ফ্লাওয়ার ফুল। ফুলটি ঘ্রাণহীন হলেও হলুদ ও লাল এর সৌন্দর্য সবার দৃষ্টি নজর কাড়ছে। ফুলের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের লোকজন দেখতে ভিড় করছেন। দৃষ্টি নন্দিত এ ফুল দেখে গ্রামের অনেকেই ভিডিও, ছবি ও সেলফি তুলতে দেখা গেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা যাত্রাপুর গ্রামের ভূইয়া বাড়ির সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ ভূঁইয়া একজন শৌখিন প্রকৃতিপ্রেমি মানুষ। তার বাড়িতে দেশি-বিদেশি নানান প্রকারের ফুল-ফলের গাছ রয়েছে। ১৯৮৬ সাল থেকে তিনি নিজ বাড়ির পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে পরিবেশ বান্ধব নানা দরনের গাছ লাগিয়ে পরিচর্যা করে আসছেন। বিভিন্ন বছর প্রাকৃতিক দূর্যোগের গাছগাছালির বিনষ্ট হলেও শখের বসেই তিনি এসব গাছ রোপন করছেন।
এছাড়াও তিনি বিভিন্ন এলাকায় মসজিদ-মাদরাসা সামনে তিনি ঔষধি ও ফল গাছ রোপন করছেন। তার বাগানে তিনটি টবে লাগানো কয়েকটি মে ফ্লাওয়ার গাছে এখন পহেলা মে মাসে মে ফ্লাওয়ার ফুটেছে, যা এখন গ্রামের সবার নজর কাড়ছে। মে ফ্লাওয়ার ফুল সাধারণত সারাবছর ফোটে না। মে ফুল ফায়ার বল,বল লিলি, গ্লোব লিলি, আফ্রিকান ব্লাড লিলি ইত্যাদি নামেও এই ফুল পরিচিত রয়েছে। মে ফুল ফোটার মে মাসজুড়েই সীমিত।
এ ফুলের আয়ূ ১ সাপ্তাহ বা ১২ দিন। তারপর ফুলটি ধানা বাঁধে গাছের পাতা মোটা হয়ে গাছটি টবের মাটিতে মিলিয়ে যায়। মে মাসে ৫/৭ দিন পূর্বে মাটি ভেদ করে ফুলের মোটা ডাঁটা বের হয়। কুঁড়ি জন্মে পহেলা মে মাসের থেকেই উজ্জ্বল লাল রংঙের মাঝে হলুদ সাদা আভা মিশ্রিত গোলাকার কারো কাজ বল আকৃতির ফুল ফোটে। মে ফুলের গড়নে এটি কদম ফুলের মতো হলেও আকারো ফুটবল মতো বড়। ফুলটি গন্ধহীন হলেও অত্যান্ত আকর্ষণীয়। পাপড়ি ও পুংকেশর অসমান। রক্তিম শোভায় এই ফুল প্রকৃতিতে দারুণ সৌন্দর্য ছাড়ায়।

স্থানীয়রা বলেন, আবুল কালাম আজাদ ভূঁইয়া একজন সৌখিন ওগাছপ্রেমি মানুষ। গাছ লাগানো তার ছোটবেলার নেশা। তার বাড়িতে দেশি-বিদেশি নানা প্রজাতির ফুল ফলের গাছ রয়েছে।
বাগানের মালিক আবুল কালাম আজাদ ভূঁইয়া বলেন, ‘আমার বাবা সাবেক সৈনিক সুরুজ মিঞা ভূঁইয়া, মা জুবেদা খাতুন বড় ভাই সাংবাদিক ফেরদৌস আহমেদ ভূঁইয়া ফুল ফলের বাগান করেছেন। তাদের রেখে যাওয়া বাগানে তিনি পরিচর্যা করছেন। বিলুপ্ত হওয়া গাছগুলো নতুন করে আবার রোপণ করে পরিচর্যা করছেন। বাগানে দেশি-বিদেশি নানা জাতের ফুল ফলের গাছ রয়েছে।
মুরাদনগর উপজেলা কৃষি অফিসার মো।পপপাভেল খাঁন পাপ্পু বলেন, মে ফ্লাওয়ার ফুল আদি নিবাস আফ্রিকা হলেও আমাদের আবহাওয়া এই গাছ ভালোভাবে মানিয়ে যায়। মে ফ্লাওয়ার বেশি দিন স্থায়ী থাকে না। ফুল ঝরে যাওয়ার পরও বেশ কিছুদিন বাহারি পাতার সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।
কেএম