দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ফেনীতে ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন আয়োজন করতে গিয়ে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত করায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সকালে পরীক্ষা দিতে এসে ফিরে যেতে হয়েছে শতাধিক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের।
ফেনী সেন্ট্রাল প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত গণিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এতে চার শতাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্বাচনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য আগের রাতে বিদ্যালয়ের গেটে নোটিশ টানিয়ে এবং অনলাইনে বার্তা দিয়ে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।
অনেক অভিভাবক বিষয়টি আগে থেকে না জানায় শনিবার সকালেও শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে বিদ্যালয়ে আসে। পরে পরীক্ষা স্থগিতের খবর জেনে তাদের ফিরে যেতে হয়। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিভাবকরা।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা শাহানা আমিন বলেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার নির্দেশে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। একই ক্যাম্পাসে উচ্চবিদ্যালয় থাকায় আগে থেকেই ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনের জন্য স্থান ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, স্থগিত পরীক্ষার জন্য নতুন প্রশ্নপত্র তৈরি করে পরে তারিখ ঘোষণা করা হবে।
এদিকে, ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, শনিবার উচ্চবিদ্যালয় বন্ধ থাকায় নির্বাচন আয়োজনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষা স্থগিত হওয়াকে তিনি “দুঃখজনক” বলে মন্তব্য করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রমজানে বন্ধের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সরকার পাঁচটি শনিবার বিদ্যালয় খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই নির্দেশনার অংশ হিসেবে শনিবার জেলার ৫৩৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে একটি ছাড়া সব বিদ্যালয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে ফেনী সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খালেদা পারভীন ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম হাজারীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ফেনী শহর ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন ঘিরেও রাজনৈতিক ও পারিবারিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা চলছে। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আলাল উদ্দিন আলাল জেলা বিএনপির সদস্য সচিব। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্যানেলের প্রার্থীদের অনেকেই পরস্পরের আত্মীয় বলে জানা গেছে।
ফেনী সেন্ট্রাল হাই স্কুল কেন্দ্রে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে ১ হাজার ৮৬০ জন ভোটার অংশ নেন।
জে আই