দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

নওগাঁ শহরের আনন্দ নগর এলাকায় চাঁদার টাকা না পেয়ে একটি বসতবাড়িতে ককটেল হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়ের করেও প্রতিকার না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী শিক্ষক মোজাহারুল ইসলাম।
তিনি সরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক এবং আনন্দ নগর এলাকার বাসিন্দা।
ভুক্তভোগীর করা এজাহার অনুযায়ী, স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে বিভিন্ন অজুহাতে চাঁদা দাবি করে আসছিল। এর আগে কয়েকবার টাকা দিলেও গত ১২ মার্চ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা দাবি করা হলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানান তিনি।
এরপর থেকেই তাকে ও তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়। এমনকি তার ছোট মেয়েকে অপহরণ এবং বাড়িতে হামলারও হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে বলা হয়, ২৬ মার্চ রাত সাড়ে ৯টার দিকে অভিযুক্তরা তার বাড়িতে গিয়ে পুনরায় টাকা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে বাড়ির গেটে ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। বিস্ফোরণের শব্দে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় মেহরাব হোসেন আদিত্ত (১৮), জুড়াইয়া আফরিন ডলি (৩৮) এবং আব্দুল মান্নান ওরফে মান্নাকে (৪০) আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্তরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত এবং প্রতিবাদ করলে মারধর ও মিথ্যা মামলার হুমকি দিয়ে থাকে।
ভুক্তভোগীর স্ত্রী রুবিয়া খাতুন বলেন, এর আগেও তারা আমাদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছে। টাকা না দিলে হুমকি, অপমান এমনকি আমাদের সন্তানের নিরাপত্তাও হুমকির মুখে ফেলে। তবে অভিযুক্ত মেহরাব হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এটি পারিবারিক বিরোধের জের। চাঁদা দাবি বা ককটেল হামলার ঘটনা সত্য নয়।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত আব্দুল মান্নান বলেন, তিনি ভুক্তভোগীকে চেনেন না এবং তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ মিথ্যা।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জে আই