দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

জেলায় ফুয়েল কার্ডের পর এবার ফুয়েল অ্যাপের মাধ্যমে তেল বিক্রি শুরু হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল থেকে পরীক্ষামূলকভাবে সদর উপজেলার ১১টি ফিলিং স্টেশনে এ কার্যক্রম চালু করা হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এখন থেকে সকল গ্রাহককে নির্ধারিত অ্যাপ ব্যবহার করেই তেল নিতে হবে। অ্যাপের মাধ্যমে তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে গ্রাহকের গাড়ির লাইসেন্স নম্বর, তেলের পরিমাণ, মাইলেজসহ বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। ফলে একই গাড়িতে নির্ধারিত দূরত্ব অতিক্রমের আগে পুনরায় তেল নেওয়া সম্ভব হবে না।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেলে একবারে ৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে এবং ১২৫ কিলোমিটার চালানোর আগে পুনরায় তেল নেওয়া যাবে না। অন্য কোনো পাম্পে গিয়ে তেল নেওয়ার চেষ্টা করলে সেটিও অ্যাপের মাধ্যমে শনাক্ত হবে।
রোববার বেলা ১১টার দিকে শহরের মুক্তির মোড় এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি। গ্রাহকদের তথ্য অ্যাপে এন্ট্রি করে তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তবে এতে সময় বেশি লাগায় ভোগান্তির অভিযোগ করেছেন অনেক চালক।
কিছু গ্রাহক অভিযোগ করেন, দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া অ্যাপে তথ্য দিতে অতিরিক্ত সময় লাগায় বিড়ম্বনা বাড়ছে।
মোটরসাইকেল চালক মাসুদ রানা বলেন, তীব্র গরমে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। তার ওপর অ্যাপে তথ্য দিতে সময় লাগছে। বিষয়টি দ্রুত করার উদ্যোগ নেওয়া দরকার।
অন্যদিকে, অনেকেই এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। চালক ইউনুস মন্ডল বলেন, অনেকে অপ্রয়োজনীয়ভাবে বারবার তেল নিচ্ছিল। অ্যাপ চালু হওয়ায় অপব্যবহার কমবে।
একটি ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক আল আমিন জানান, জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা অ্যাপ ব্যবহার করে তেল বিক্রি করছেন। এজন্য তাদের প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। এতে একাধিকবার তেল নেওয়ার সুযোগ বন্ধ হওয়ায় ব্যবস্থাপনা সহজ হয়েছে।
নওগাঁ সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইবনুল আবেদিন বলেন, পাইলট প্রকল্প হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রতিটি স্টেশনে মনিটরিংয়ের জন্য কর্মকর্তারা রয়েছেন। পর্যায়ক্রমে জেলার সব ফিলিং স্টেশনে এই ব্যবস্থা চালু করা হবে।
জেলা প্রশাসনের দাবি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে তেল মজুত ও অপব্যবহার রোধ করা সম্ভব হবে।
জে আই