দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বগুড়ার শেরপুরে একটি মাদরাসার বাথরুমের এক ছাত্র অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিল। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ বলছে, ওই মাদরাসাছাত্রের গলায় দাগ রয়েছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২ আগস্ট) সকালে শেরপুর শহরের অদূরে একটি ভাড়া ভবনে পরিচালিত তাহসীনুল কোরআন আদর্শ হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটেছে।
ওই মাদরাসাছাত্রের নাম—কাউসার ইসলাম (৮)। সে উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের বেলতা গ্রামের কৃষক ফরিদুল ইসলামের ছেলে।
মাদরাসা সূত্রে জানা যায়, তাহসীনুল কুরআন আদর্শ হাফিজিয়া মাদরাসার নূরানী কায়দায় প্রথম শ্রেণির ছাত্র ছিল কাউসার। বুধবার সকাল আনুমানিক ৭টায় এই হাফিজিয়া মাদরাসার বাথরুমে কাউসার ইসলামকে সচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে মাদরাসার আরেক ছাত্র ফজলুল করিম (১৫)। এ ঘটনা মাদরাসার শিক্ষকদের জানানো হলে তাকে উদ্ধার করে নেওয়া হয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। নেওয়ার পর চিকিৎসক কাউসার ইসলামকে মৃত ঘোষণা করেন।
এই মাদরাসার শিক্ষক মামুনুর রশিদ জানান, শিশু কাউসারকে যখন বাথরুমে পাওয়া যায়, তখন ছিল সকালের নাশতার বিরতি চলছিল। মৃত্যুর সঠিক কারণ তারাও জানেন না।
এ ঘটনায় শেরপুর থানার উপপরিদর্শক মিথুন সরকার বলেন, ‘উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কাউসারকে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেছে। কাউসারের গলায় দাগ রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে শিশুর পরিবারের কাছে লাশটি হস্তান্তর করা হবে।’
এ প্রসঙ্গে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবু কুমার সাহা বলেন, ‘এই মৃত্যুর প্রকৃত ঘটনায় পুলিশি তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্তে রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’
জেবি