দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে ছাত্রদল ও এলাকাবাসীর সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মুক্তার হোসেনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাত ১০টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা শাখার অধীনস্থ গফরগাঁও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. মুক্তার হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হলো। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্র জানায়, বুধবার উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি মুক্তার হোসেন তার দলবল নিয়ে সরকারি কলেজ এলাকায় বালুর ঘাট দখল করতে যায়। এসময় স্থানীয়রা বাধা দিলে মুক্তার তার দলবল নিয়ে ফিরে আসে। বুধবারের ঘটনার জেরে মুক্তার হোসেন বৃহস্পতিবার বিশাল মোটরসাইকেল বহর নিয়ে সরকারি কলেজ এলাকায় বালুর ঘাট দখল করতে যায়। এসময় মুক্তার এক নৌকার মাঝিকে পিটিয়ে আহত করে ও নৌকা পুড়িয়ে দেয়। স্থানীয়রা টের পেয়ে দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁঠা নিয়ে তাদের ধাওয়া করে। মুক্তার ও তার লোকজন পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের অন্তত ১০ থেকে ১২টি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এসময় বেশ কয়েকটি দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। তবে, এ ঘটনায় মাঝি ছাড়া কেউ আহত হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ময়মনসিংহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আজিজুল হাকিম আজিজ বলেন, বিকেলে গফরগাঁও সরকারি কলেজ গেট বালু ঘাট দখল নিয়ে ছাত্রদল নেতা মুক্তার হোসেনের সঙ্গে এলাকাবাসীর সংঘর্ষের ঘটনাটি শুনেছি। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মুক্তারকে দলীয় পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছেন। তবে, বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত হবে। তদন্তে দোষী প্রমাণিত হলে তার বিরুদ্ধে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরএ