দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্ব শত্রুতার জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে মসজিদের ইমামসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও সেনাবাহিনী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।
মঙ্গলবার সকালে উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজনদের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
এর আগেও গত মঙ্গলবার এই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকে উভয় পক্ষের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা চলে আসছিল।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সকালে গোয়ালনগর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপির সমর্থক গোয়ালনগর গ্রামের রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর জিয়াউর রহমানকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ নিয়ে জিয়াউর রহমান একই গ্রামের কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করতে থাকে এবং প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে ওঠে। সম্প্রতি জিয়াউর গোয়ালনগর গ্রামে শিশু মিয়াকে তার মোটরসাইকেলসহ আটক করে মারধর করে। পরে মোটরসাইকেলটি তাদের থেকে ছিনিয়ে নেয়।
এ নিয়ে গত মঙ্গলবারও রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজনদরে মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এরই জের ধরে আজ মঙ্গলবার সকালে ফের রহিম গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর লোকজন টেঁটা ও বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। সংঘর্ষে রহিম গোষ্ঠীর আক্তার মিয়া ও ঝগড়া থামাতে গিয়ে স্থানীয় মসজিদের ইমাম হাবিবুর রহমান নামে দুইজন নিহত হয়। এছাড়া উভয়পক্ষের অর্ধশত আহত হয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ জানান, পূর্ব বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের লোকজন সকাল থেকে সংঘর্ষে জড়ায়। এতে দুইজন নিহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
আরএ