দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

বৈরী আবহাওয়ায় ঈদের নামাজ মসজিদ না ঈদগাহ মাঠে হবে, তা নিয়ে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের চর এলঙ্গী আচার্য গ্রামে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বেশ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগও পাওয়া গেছে।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গড়াই নদীর চরে অবস্থিত চর এলঙ্গী আচার্য গ্রামে অন্তত ১২০টি পরিবারের পাঁচ শতাধিক মানুষের বসবাস। তাদের এবাদতের জন্য একটি মসজিদ ও একটি ঈদগাহ মাঠ রয়েছে। শনিবার ঈদুল ফিতরের দিন সকাল থেকেই গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছিল। সেজন্য ঈদগাহ কমিটি সকাল সাড়ে আটটার পরিবর্তে ঈদের জামাত সাড়ে ৯টায় নির্ধারণ করেন।
এ নিয়ে গ্রামবাসী দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যান। একাংশ মন্টু প্রামাণিকের নেতৃত্বে চর এলঙ্গী আচার্য জামে মসজিদে নামাজ শুরু করেন। এরপর ঈদগাহ কমিটির পক্ষ থেকে আলম, গফুর ও শাকিলসহ কয়েকজন প্রতিপক্ষের লোকদের ঈদগাহে আসার আহ্বানে সেখানে যান। এ সময় তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার জেরে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষে মন্টু প্রামাণিকের পক্ষের বেশ কয়েকটি বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় গ্রামের চার ভাগের তিন ভাগ মানুষই এবার ঈদে নামাজ পড়তে পারেননি বলে দাবি এলাকাবাসীর।
কুষ্টিয়া কুমারখালী থানার ওসি জামাল উদ্দিন জানান, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।