দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা নিহতের ঘটনায় ৪ জনকে আসামি করে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ভোরে নিহত শিক্ষকের স্বামী মো. ইমতিয়াজ সুলতান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানায় উপস্থিত হয়ে এ অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারী ফজলুর রহমান, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং সহকারী অধ্যাপক মো. হাবিবুর রহমানকে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে নিহত আসমা সাদিয়া রুনার স্বামী চারজনের নাম উল্লেখ করে একটি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এদিকে আজ সকাল ১০টার দিকে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নিহত আসমা সাদিয়া রুনার ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ডের কঠোর বিচার চেয়েছেন নিহতের সহকর্মী ও স্বজনরা।
আজ বৃহস্পতিবার বাদ জোহর কুষ্টিয়ার কেন্দ্রীয় ইদগাহে জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হবে। নিহত আসমা সাদিয়া রুনা কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ মোড়ে বসবাস করতেন। তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলের জননী।
উল্লেখ্য, বুধবার (০৪ মার্চ) বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সমাজকল্যাণ বিভাগে নিজ কক্ষে বসে থাকা অবস্থায় ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করে ঘাতক ইবির কর্মচারী ফজলুর রহমান। পরে তিনি নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ফজলুর রহমান বর্তমানে কুষ্টিয়া আড়াইশ’ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
আরএ