দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

ময়মনসিংহের ভালুকায় আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর দীপু চন্দ্র দাস হত্যা মামলায় বাবলু মিয়া (২৪) নামে আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের সময় ফ্যাক্টরির গেটে লোক জড়ো করা এবং স্লোগান দিয়ে জনতাকে উত্তেজিত করার পেছনে মূল হোতা হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি।
সোমবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, ঘটনার পর থেকেই সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্ত করার কাজ শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ডিবির একটি দল ভালুকা থানাধীন ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় অভিযান চালায়। সেখানে পাইওনিয়ার ফ্যাক্টরির উত্তর গেট সংলগ্ন একটি চায়ের দোকান থেকে বাবলুকে গ্রেপ্তার করা হয়। বাবলু মিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্যানুযায়ী, ঘটনার দিন বাবলু মিয়া সর্বপ্রথম ফ্যাক্টরির গেটে লোক সমবেত করেন। পরবর্তীতে তিনি উস্কানিমূলক স্লোগান দিয়ে উপস্থিত জনতাকে উত্তেজিত ও একত্রিত করেন। তার নেতৃত্বেই উত্তেজিত জনতা দীপু চন্দ্র দাসকে গেটের সামনে বেধড়ক মারধর করে হত্যা করে। শুধু তাই নয়, মরদেহটি স্কয়ার মাস্টারবাড়ি মেইনরোডে নিয়ে যাওয়ার পর উত্তেজিত জনতাকে সঙ্গে নিয়ে লাশের ওপর অমানবিক নির্যাতন চালাতেও বাবলু সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন।
আবদুল্লাহ আল মামুন জানান আরও জানান, দীপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এ পর্যন্ত মোট ২৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রেপ্তারকৃত ১১ জন আসামি ইতোমধ্যে আদালতে নিজেদের দোষ স্বীকার করে জবানবন্দী প্রদান করেছেন।
আরএ