দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, চোরাচালানে সম্পৃক্ততা এবং খনিজ বালি-পাথর উত্তোলনে অনিয়মের অভিযোগে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।
মঙ্গলবার দায়িত্বশীল একটি সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গঠিত কমিটিতে সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশের একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, তাহিরপুর-জামালগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার এবং একজন পুলিশ পরিদর্শককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিটি ইতোমধ্যে অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু করেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, পূর্বে হবিগঞ্জ ডিবিতে কর্মরত থাকাকালে ওসি আমিনুল প্রতিপক্ষের কাছ থেকে অর্থ নিয়ে এক প্রবীণ ব্যক্তিকে ইয়াবা মামলায় জড়ান। পরবর্তীতে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ওই ব্যক্তি অব্যাহতি পান। এ ঘটনায় পুলিশ হেডকোয়ার্টারে লিখিত অভিযোগ দায়ের হলে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানা যায়। এছাড়া তাহিরপুরে যোগদানের পর এক আসামির স্বজনের মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে একটি রঙিন টেলিভিশন উপহার নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আরও অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় কিছু পুলিশ সদস্য ও কথিত সোর্সদের নিয়ে একটি চোরাচালান চক্র গড়ে তোলেন তিনি। বিদেশি মাদক, ভারতীয় বিড়ি, কয়লা ও চুনাপাথরসহ বিভিন্ন পণ্যের বিপরীতে মাসোহারা আদায় এবং জাদুকাটা নদীসহ বিভিন্ন নদীতে অবৈধ ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বালু-পাথর উত্তোলনে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।
তবে ওসি আমিনুল ইসলাম সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি কোনো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত নই। তদন্তে সত্য উদঘাটিত হবে।
তদন্ত কমিটির সদস্য প্রণয় রায় জানিয়েছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন পুলিশ হেডকোয়ার্টারে দাখিল করা হবে। এ ঘটনায় স্থানীয় মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর পরবর্তী প্রশাসনিক পদক্ষেপ নির্ভর করবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
আরএ