দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

পিরোজপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রার্থীদের বড় একটি অংশ তাদের জামানত হারিয়েছেন। পিরোজপুর-২ ও পিরোজপুর-৩ আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থীর মধ্যে ৮ জন প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান জানান, বৈধ ভোটের আট ভাগের এক ভাগ ভোট অর্জনে ব্যর্থ হওয়ায় এসব প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, পিরোজপুর-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৯ হাজার ২৮৮ জন। এর মধ্যে বৈধ ভোট পড়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ২৩৮টি। এ হিসাবে আট ভাগের এক ভাগ ভোট দাঁড়ায় ২৮ হাজার ৭৭৯টি। এই সংখ্যার কম ভোট পাওয়ায় এ আসনে ৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ৫ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়।
জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, বিএনপির বিদ্রোহী হিসেবে স্বতন্ত্র ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মাহামুদ হোসেন (ভোট ১৬,২১৯), তার ভাই জেপির সাইকেল প্রতীকের প্রার্থী মাহিবুল হোসেন (ভোট ৪,৭০৫), ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ (ভোট ৬,৬৯৭), ঈগল প্রতীকের প্রার্থী ফয়সাল খান (ভোট ৩৯০) এবং গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী আনিসুর রহমান মুন্না (ভোট ১৪৫)।
অন্যদিকে, পিরোজপুর-৩ আসনে মোট ভোটার ২ লাখ ৪১ হাজার ৩৬০ জন। বৈধ ভোট পড়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৯৮৭টি। এর আট ভাগের এক ভাগ দাঁড়ায় ১৭ হাজার ১২৩ ভোট। এই সীমার নিচে ভোট পাওয়ায় এ আসনে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জনের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।
এ আসনে জামানত হারানো প্রার্থীরা হলেন, জাসদের মোটরগাড়ি প্রতীকের প্রার্থী করিম সিকদার (ভোট ২১২), ফুটবল প্রতীকের প্রার্থী মো. তৌহিদুজ্জামান (ভোট ২৩১) এবং জাতীয় পার্টির লাঙল প্রতীকের প্রার্থী মো. মাশরেকুল আযম (রবি) (ভোট ১৬৯)।
জে আই